নিউজ ডেস্কঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন গতকাল বুধবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কারাবন্দী থাকাকালীন অবস্থায় মারা যান । উল্লেখ্য, মুক্তিযোদ্ধা নূরুল মজিদ হাতকড়া পরা অবস্থায় মারা গেছেন। ইতিমধ্যে,তার স্থির চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছে বা হচ্ছে।
প্রকাশ করা আবশ্যক, নূরুল মজিদ হুমায়ূনকে রাষ্ট্রীয় সালাম ব্যতীত দাফন ও জানাজায় বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগ উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, তার জানাজার সময়সূচী জানাতে মাইকিং’ করতে বাধা দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে একটি পোষ্ট কোড করা হলঃ
“সাবেক মন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়নের জানাযা.যারা বলেছিল আওয়ামী লীগের লোকজনের মৃত্যুতে জানাজা হবে না তাদের জন্য.এই জানাযায় মাইকিং করতে দেওয়া হয়নি. জানাযার সময়সূচী জানতে দেওয়া হয়নি।
একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল মজিদ বাংলাদেশের প্রচলিত রীতি মোতাবেক রাষ্ট্রীয় সালাম বা মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়নি। যেমনটি ইউনুস সরকারের সময়ে অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরী দাফনপূর্বক রাষ্ট্রীয় সালাম হতে বঞ্চিত হয়েছেন। দেশের সাধারণ জনগণ বিষয় গুলোকে নেতিবাচক ভাবেই মুল্যায়ন করছেন। সেটি একটা উল্লেখযোগ্য বিষয় । যদিও ইউনুস সরকারের সে সব বিষয়ে কোন বক্তব্য বা বিবৃতি পাওয়া যায় নাই।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের রাষ্ট্রীয় সালাম ব্যতীত দাফন ও জানাজা হওয়ার বিষয়টিও আলোচিত ও সমালোচিত হচ্ছে।
একজন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার ভুমিকার বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বলা হয়েছে-
” বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল মজিদ হুমায়ূনকে রাষ্ট্রীয় সালাম ব্যতীত দাফন ও জানাজায় বিঘ্ন সৃষ্টি করায় (সংশ্লিষ্ট এলাকায়) ডিসি ও এসপি’ ভুমিকা রেখেছেন।”
তারা হলেন
জনাব মোঃ মেনহাজুল আলম, পিপিএম পুলিশ সুপার, নরসিংদী
মোবাইল নং : ০১320091300
ফোন (অফিস) : ০২224453191 ই-মেইল : spnarsingdi@police.gov.bd
ফ্যাক্স: 02224453371
ব্যাচ (বিসিএস) : ২৫
বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর
২০২৫
==============
মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন (MOHAMMAD ANOWAR HOSSAIN)
জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
মোবাইল নং : ০১৭৬৬-১৮৮২৮৮
ফোন (অফিস) : ০২224452500
ই-মেইল : dcnarsingdi@mopa.gov.bd ব্যাচ (বিসিএস) : ২৭
বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর
2025
সরকারি কর্মচারীরা (যাদেরকে সংবিধান ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী’ হিসেবে উল্লেখ করেছে) রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন স্তরে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সুতারাং সহজ বাস্তবতা হল -এই ডিসি ও এসপি সরকাররের উপরের মহলে নির্দেশ পালনে বদ্ধপরিকর। সে দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের প্রতি সোজাসুজি অভিযোগ তোলা কতটা যৌক্তিক ? সেটাও ভেবে দ্যাখা প্রয়োজন।