সজ্ঞানে যতটুকু বোঝা যাচ্ছে -” নৃশংস সোহাগ হত্যার ঘটনাটি ব্যাবসায়িক সুবিধার জন্য রাজনৈতিক অবস্থানকে ঢাল হিসেবে ব্যাবহার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সময় সচেতন মানুষের সাথে এ ঘটনা নিয়ে আলোচনা- আক্ষেপ শুনে বোঝা যায় – দেশের একটা বড় রাজনৈতিক দলের ‘”ইমেজ সংকট” – ইতিমধ্যে দৃশ্যমান।
বাংলাদেশের (বাস্তবতায়) শক্তিশালী ( প্লাটফর্ম) সামাজিক মাধ্যম। যেখানে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের সামনে সোহাগ’ হত্যাকাণ্ড নিয়ে এখনো সরগরম।
পরিতাপের বিষয় হলো – ঘটনার দুদিন পরে সাধারণ মানুষের কাছে পৈশাচিক ঘটনাটি পরিস্কার ভাবে দৃষ্টিগোচর হয়েছে ।কেন এর কারণ?
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রিত (গনমত)।কারণ, অতি সহজ। বিগত ১০-১১ মাসের বেশি ধরে রেজিম পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে – নয়া বন্দোবস্তের ধোয়া উড়াতে গেলে গণমাধ্যমের টুটি চেপে ধরেই ফায়দা হাসিল করতে হয়।
আর সেই সাথে নতুন সংযোজন “গণমাধ্যমে আজকের নয়া রিপোর্ট –সোহাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আনসার সদস্যদের ওপর দায় চাপানোর নয়া বন্দবস্ত। “
হ্যালো! কম্পলিট শাট ডাউন ২৪ ‘ এর ভাইয়েরা – মহাজনেরা শুনুন – ” এদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। তাই আমরা এখন স্বাধীন দেশে দাঁড়িয়ে বড় দম নিয়ে ফ্যাসিস্ট’ বলতে পারছি। দুর্নীতিবাজ বলতে পারছি। স্বৈরশাসক বলতে পারছি। বুলডোজার দিয়ে ধানমন্ডি ৩২: স্বাধীনতার সূতিকাগার ভাংতে পারছি।মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক ইতিহাস বহন করে – সেসব ম্যুরাল -স্থাপনা ভাঙ্গতে পারছি। (!)
সুতারং -“উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানো “! – এটা রাজনীতির খেলা ছাড়া কিছু নয়। আসুন আমরা –নিহত যুবক সোহাগের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। আর লাশের রাজনীতি হতে দেশটা মুক্তি পাক সেই প্রত্যাশা করি।