ইতিমধ্যেই দেশের গ্রাম-বন্দর -শহরে গুজব রটানো মিশন শুরু হয়েছে।
” দেশের রিজার্ভ কমতে শুরু করেছে।পরিস্থিতি ইতিবাচক নয়।”
কিন্ত বলছে না কেউ- ভারত – জাপানের মত রাষ্ট্রের রিজার্ভও কমেছে।
রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধ আর উক্ত প্রেক্ষাপট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নানা কিসিমের নিসেধাজ্ঞাসহ মোড়লিপানায় গোটা বিশ্বজুড়ে এখন টালমাটাল।
গুজবে রয়েছে – “বিদ্যুৎ নিয়ে সমস্যা আরও বাড়বে। চালডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম পুরপুরি নাগালের বাইরে চলে যাবে।সেই সাথে শ্রীলঙ্কার বর্তমান পরিস্থিতি টেনে এনে কিছু ভয়ংকর গুজবের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। যেটা অকপটে মানুষকে বিভ্রান্তিতে ফেলে দেয়।যে অপচেষ্টা গুলো একটি পক্ষ চালিয়ে যাচ্ছে।
সরকার পরিস্কার ভাবেই বুঝতে সক্ষম – গুজবের মুলহতা কারা?
প্রশ্ন হল- সকল গুজবের অবসান কি সম্ভব?- সদুত্তর “পরিশুদ্ধ জবাবদিহিতা”।
রাষ্ট্রের বর্তমান গনতান্ত্রিক সরকারের জনগণের প্রতি স্পষ্ট বাস্তবতা উপস্থাপন প্রয়োজন ।সেই সাথে দরকার প্রচার -প্রচারণা ।
যা রাস্ট্র ব্যাবস্থাপনায় সরকারের প্রতি আস্থাশীল রাখতে সহায়ক হিসাবে কাজ করতে পারে।আর সেটাই মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সরকারের প্রতি দেশপ্রেমিক মানুষের প্রত্যাশা।