পর্যালোচনা
সাবের হোসেন চৌধুরীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন তিন রাষ্ট্রদূত তাদের নিজ উদ্যোগে । প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, সম্প্রতি সাবের হোসেন চৌধুরীর বাসভবনে ডেনমার্ক, সুইডেন ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হ্যাকন আরাল্ড গুলব্রানসেন, রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লিনাস রাগনার উইকস ও রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মলার সঙ্গে বৈঠক নিয়ে সামাজিক সোশ্যাল মিডিয়া হতে গণমাধ্যমে নানামুখী আলচনা অব্যহত। বিষয়টি ইতিমধ্যে টক অব কান্ট্রিতে’ পরিনত হয়েছে।
সাবের হোসেন চৌধুরীর সাথে সাক্ষাৎ কালে যে বার্তা নিয়ে গেছেন তিন রাষ্ট্রদূতঃ
তারা এখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা দেখছেন না।
পাশাপাশি পশ্চিমের দুতাবাসগুলোর তরফের বার্তাও তিন রাষ্ট্রদূত দিয়েছেন [বলে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে]”সবদলের একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন।
প্রসঙ্গত,জাতিসংঘেরও একই অভিমত -” সবদলের একটা অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন।”
সাবের হোসেন চৌধুরী তিন রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইউনুস সরকারের অধীনে আওয়ামীলীগ কোন নির্বাচনে যাবে না। আওয়ামীলীগ রাজপথে আন্দোলন করে ইউনুসের পতন ঘটিয়ে নির্বাচনের ব্যাবস্থা করবে ।
সেই সাথে জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, “আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কোন পরিবর্তন, শেখ হাসিনা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।” এমন কোন নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে আনার দিবা স্বপ্ন বিদেশীদের বন্ধ করা উচিত।
আওয়ামী লীগ অপ্রাসঙ্গিক হলে কূটনৈতিক টেবিলে তাদের নামই আসত না।
বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সাথে সাবের হোসেনের সাক্ষাৎ এক ধরণের স্বীকৃতি।যেটাকে ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে না দেখে- সোজা পথে দ্যাখা উচিত ।
বলে রাখা প্রয়োজন, সাবের হোসেন চৌধুরী আওয়ামী লীগের সেই ঘনিস্ট জন- যিনি ১৯৯৬ নির্বাচনে (একটা চমক সৃষ্টি করে) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাকে ঢাকা-৬ আসনে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে তাকে উপমন্ত্রী করা হয়।সাবের হোসেন চৌধুরী ২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের মনোনায়ন না পাওয়ার সারিতে কখনো দ্যাখা যায় নাই। প্রতিবারই ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ আসনে মনোনায়ন পেয়েছেন এবং সাবের হোসেন প্রতিবারই নিজের দক্ষতা আর যোগ্যতা প্রমাণ করে জয়লাভ করে এসেছেন ।
উল্লেখ্য,২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়নি। সেবার আওয়ামীলীগের বিএনপিবিহীন নির্বাচন নানা বিতর্কের মুখমুখি হতে হয়। সেই নির্বাচনের পর ওই সংসদকে বড় এক ধরনের আন্তর্জাতিক অনুমোদন এনে দিয়েছিলেন জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী ।
আমাদের স্মরণ রাখা প্রয়োজন
সাবের হোসেন বিশ্বের অত্যান্ত সন্মানীয় জোট ” Inter-Parliamentary Union ” এর ২০১৪ সালে সভাপতি হিসাবে নিজেকে নির্বাচিত করতে পারার সক্ষমতা দ্যাখান। যেটা তৎকালীন শেখ হাসিনার সরকারের জন্য ছিল একটা ইতিবাচক অধ্যায়। ।
২৪ এর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ৬ টি হতা মামলায় গত অক্টোবরে সাবের হোসেন চৌধুরীকে তার বাসভবন থেকে তুলে নেওয়া হয়। এরপর ৩ দিনের মধ্যে ৬ টি হত্যা মামলায় জামিন দিয়ে তাকে ফেরত পাঠাতে হয়েছিল ইউনুস সরকারের ।