সম্পাদকীয় ।।
কোন অস্বাভাবিক মৃত্যু কারোরই কাম্য হতে পারে না।৫ ই আগস্ট ২০২৪ পূর্ব শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দলোনে ঝরে পড়া প্রাণগুলো ফিরে পাওয়া যাবে না! কিন্ত তাদের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতি আমাদের দলমত- নিবি’শেষে সহানুভূতি ভাবাপন্ন হওয়া উচিত।
সেই সাথে বিগত সরকারের রাস্ট্র পরিচালনা নিয়ে যেকোনো যৌক্তিক অভিযোগ – সমালোচনাকে গুরুত্বের সাথে দ্যাখা উচিৎ।অন্ধত্ব কখনো সুবার্তা বহন করে না।কখনোই করতে পারে না।
পাশাপাশি শোকাবহ ১৫ আগস্টসহ( ২০২৪ইং) বহুমাত্রিক স্পর্শকাতর সিদ্ধান্ত কতটা সময়োপযোগী ছিল? সেসবের মূল্যায়নেরও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
আর জাতীয় বিষয় সমূহ নিয়ে যার যেটুকু সক্ষমতা রয়েছে – সেটার বাস্তবায়ন একান্তভাবে প্রত্যাশার দাবিদার।
বংগবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধ। ৩০ লক্ষ প্রাণ ও ২ লক্ষের মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অজি’ত স্বাধীনতা তো সহজ কোন অজ’ন ছিল না ।যা ছিল এক কঠিন অভিযাত্রা। অনেকেই আমরা দেখিনি। কিন্তু অনুধাবনের অনুভূতি আজকের বাস্তবতায় কতটা? যা বৃহৎ জিজ্ঞাসা হয়ে আমাদের সামনে দন্ডায়মান!
এটা এমন কিছু নয় যে- আসলাম – দেখলাম আর রাতারাতি জয় করে চলে এলাম।
আমাদের চেতনা। আমাদের দেশাত্মবোধ।আমাদের ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা। এমন সব জাতীয় বোধের উপলব্ধিমুলক অনুভূতির প্রয়াস থাকা অনস্বীকার্য।
এখানে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকলের জ্ঞাতার্থে কিছু বলার প্রচেষ্টা মাত্র।
এ-ই দেশের আকাশ – বাতাস আর মাটিতে মহান ত্যাগের চেতনা রোপিত।সেসব উপড়ে ফেলার মতো কোনো বিষয় নয়।
আজকের বাংলাদেশের সদ্য ঘটে যাওয়া ধ্বংসলীলার উপর দাঁড়িয়েই স্মরণ রাখা উচিত -” ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না”।
যা নিজস্ব কিছু নয়। সেসব দেশের সবার- সামগ্রিক! জাতীয় সম্পদ।