নূরুল হক ছিলেন যেমন জনদরদী তেমনি কর্মী বান্ধব নেতাঃ খুলনা সিটি মেয়র

নিউজ ডেস্কঃ

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, বিএনপি-জামায়াতের ক্ষমতা কালীন খুলনাসহ দক্ষিণাঞ্চলে কোন উন্নয়ন করা খুব কষ্টকর ছিলো। ৯৬ তে নুরুল হক সাহেব সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ অঞ্চলের অবকাঠামোগত বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ তিনিই শুরু করেছিলেন। তারই ধারবাহিকতায় পরবর্তীতে উন্নয়ন কর্মকান্ড বিরামহীন ভাবে চলছে। আজ আর এ অঞ্চলের মানুষের কোন কষ্ট হচ্ছে না। এ অঞ্চলে আর দুর্যোগ মোকাবেলায় দু:চিন্তা করতে হয় না। বেড়িবাধ নির্মান, সাইক্লোন সেল্টার নির্মান সহ সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা দেয়া হয়েছে। এগুলি সাবেক সংসদ শেখ নুরুল হকের। তিনি আরো বলেন, মানুষ মৃতবরণ করে, কিন্তু থেকে যায় তার কাজ। সেই কাজই তাকে স্মরণীয় করে রাখে। নূরুল হক তেমনই একজন মানুষ ছিলেন যিনি যেমন ছিলেন জনদরদী তেমনি কর্মী বান্ধব। সে কারনেই তিনি আমাদের মাঝে আজ স্মরণীয়। তার ত্যাগ আর মানুষের প্রতি ভালোবাসা আমাদের অনুসরণ করতে হবে। তাহলেই জননেত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প বাস্তবায়ন নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্জন করা সম্ভব হবে। তিনি দলের নেতকর্মীদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, সামনে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচন। ওই নির্বাচনে দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র হবে। ওই সকল দেশি-বিদেশী ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করতে হবে। সে কারনেই সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ দলকে শক্তিশালী করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।
এ সময়ে অনুষ্ঠানের সভাপতি খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ বলেন, বয়জেষ্ঠ নেতাদের অনুসরণ করতে হবে। তাদের ত্যাগ আর দক্ষতা এ প্রজন্মকে নেতৃত্ব প্রদানে আরো সহজ হবে। একজন ভালো নেতা হতে হলে প্রবীন নেতাদের ভালো কাজগুলিকে অনুসরণ করা একজন আদর্শবান কর্মীর কাজ। সেই মূল্যায়নের জায়গা থেকে নিজেদেরকে প্রস্তুত করতে হবে। তাহলেই মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাস চির সমুজ্জল থাকবে।
খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী তার বক্তব্যে বলেন, নুরুল হক একজন ভালো নেতা ছিলেন। তার নেতৃত্বে কয়রা-পাইকগাছার উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছিলো। যা আজও চলমান। এই কাজের ধারাবাহিকতাকে অব্যাহত রেখে এ অঞ্চলের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে হবে।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ এর সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব আলী সানা সাবেক এমপি, শ্যামল সিংহ রায়, আলহাজ্ব মোঃ সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, মোঃ জামাল উদ্দিন বাচ্চু, মোঃ কামরুজ্জামান জামাল, এ্যাড ফরিদ আহম্মেদ, সরদার আবু সালেহ, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, অসিত বরন বিশ্বাস, মোঃ ইমরান হোসেন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জোবায়ের আহম্মেদ খান জবা।
স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. এম এম মুজিবর রহমান, এ এফ এম মাকসুদুর রহমান, এ্যাড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, বি এম এ ছালাম, মোস্তফা কামাল পাশা খোকন, এ্যাড. নিমাই চন্দ্র রায়, এ্যাড. রজব আলী, নুর ইসলাম বন্ধ, অধ্যাঃ আলমগীর কবির, এম এ রিয়াজ কচি, এ্যাড অলোকা নন্দা দাশ, শেখ মো. রকিকুল ইসলাম লাবু, মরহুমের ছোট ছেলে শেখ রাশেদুল ইসলাম রাসেল, মোজাফফর মোল্যা, মোখলেসুর রহমান বাবলু, খায়রুল আলম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, সায়েদুজ্জামান সম্রাট, আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাঃ রুনু ইকবাল বিথার, শিউলি সরোয়ার, মোঃ আজগর বিশ্বাস তারা, মোঃ মানিকুজ্জামান অশোক, মো. মোতালেব মিয়া, হোসনেয়ারা চম্পা, এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, এ্যাড. সেলিনা আক্তার পিয়া, মোঃ পারভেজ হাওলাদার প্রমুখ।
স্মরণ সভা শেষে এ্যাড. শেখ মো. নূরুল হকের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ আব্দুর রহীম খান ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম।