বিশ্লেষণ:
খেয়াল করলে স্পষ্টত বোঝা যাচ্ছে – নিউ ইয়র্ক সিটির লং আইল্যান্ড বরোর কুইন্স কাউন্টিতে অবস্থিত “জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন কতৃপক্ষ ইউনুস সরকারের “সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ” রাখে নাই।
জনমনে প্রশ্ন এসেই যায় : কেন ইমিগ্রেশন জটিলতা ছিল ?
জনাব মিজা’ ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত একটা বড় রাজনৈতিক দলের মহাসচিব।
ডা: তাসনীম জারার কাছে আগে থেকেই আমেরিকার ভিসা ছিল বলে জান গেছে। জামায়াতে ইসলামীর প্রথম সারির নেতা জনাব তাহেরের ভিসা জটিলতার পড়ার কোন কারণ থাকতে পারে না।
ইতিমধ্যে সোশাল মিডিয়াতে পোস্টে দ্যাখা গিয়েছে -(জনশ্রুত) ড. ইউনুসের গড়া NCP এর নেতা আক্তার হোসেনকে বিমান বন্দরে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত কাজকর্ম সারতে অন্তত দু’ঘন্টা লেগে যায়।
তাহলে বিষয় টি পরিস্কার হয়ে গেল প্রেস উইং এর বিবৃতি মোতাবেক ভিসা-সম্পর্কিত জটিলতা রাজনৈতিক নেতাদের সকলের হয়েছে বলে মনে হয় না।নাকি নির্দিষ্ট করে
ভিসা-সম্পর্কিত জটিলতায় NCP এর আখতার হোসেনকেই পড়তে হয়েছিল?
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে,
“জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর প্রতিনিধিদলটিকে প্রথমে একটি নির্দিষ্ট ভিভিআইপি গেট দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং একটি বিশেষভাবে সুরক্ষিত পরিবহন ইউনিটে ওঠানো হয়েছিল।
তবে, অপ্রত্যাশিত এবং শেষ মুহূর্তের ভিসা-সম্পর্কিত জটিলতার কারণে প্রতিনিধিদলটিকে পথ পরিবর্তন করে বিকল্প পথে অগ্রসর হতে হয়,” প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, “বিমানবন্দরে রাজনৈতিক নেতাদের জন্য ভিভিআইপি প্রবেশাধিকার এবং নিরাপত্তা সুবিধা দেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা সত্ত্বেও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ দুঃখজনকভাবে সেই অনুরোধ রাখেনি।এর ফলে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ঝুঁকির মুখে পড়েন।”