ইউনূসের গাড়ি আটক, ডিম এনসিপির আখতারকে, নিউইয়র্কে প্রবল বিক্ষোভ- ভারতীয় গণমাধ্যম (২৩.৯.২৫)
বলা হয়েছিল আমেরিকা সফরে আওয়ামি লিগের বিক্ষোভ সামলাতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামির দুই শীর্ষ নেতা এবং এনসিপির দুই নেতা-নেত্রীকে মানব-ঢাল করে নিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। বাস্তবে বিমান থেকে নামার পরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ইউনূস নিজে গাড়িতে উঠে গেলেও আওয়ামি লিগের আগ্রাসী বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তাঁর সমর্থক দলগুলির নেতা-নেত্রীরা। বিএনপির কাউকে দেখা গেল না মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগিরকে বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে বাঁচাতে হাজির হয়েছেন। মির্জা সাহেব প্রবীণ এবং এনসিপির নেত্রী তাসনিম জারা মহিলা বলে তাঁদের গায়ে কেউ হাত দেয়নি বলে দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা। বাকিদের টানাহেঁচড়া করা হয়েছে যথেচ্ছ। একটার পর একটা ডিম এসে লাগে এনসিপি নেতা আখতার হোসেনের পিঠে। তাঁর জ্যাকেট ভিজে যায়। সঙ্গে চলে অকথ্য গালিগালাজ। নিরাপত্তা রক্ষীরা ইউনূসকে গাড়িতে চাপিয়ে বার করে নিয়ে যাওয়ার সময়ে রাস্তায় শুয়ে পড়েন তিন বিক্ষোভকারী। কিছু ক্ষণের জন্য থমকে যায় গাড়ি।
বিশ্লেষণ::
অশান্তির রুপকার শান্তিতে নোবেলবিজয়ী নিজের সুবিধা ছাড়া, কিছুই বোঝেন না। সমস্যা দেখলে সরে পড়ার চিন্তা তার মাথায় রয়েছে। তাই তিনি আগামী ফেব্রুয়ারী ২৬’ এর পর দায়িত্বে থাকতে চাচ্ছেন না। আর যদি পশ্চিমা মোড়লীদের লবিস্ট দিয়ে ম্যানেজ করতে পারেন। ব্যাস তাহলে নির্বাচনও লাগছে না। এই অসাংবিধানিক ও ম্যান্ডেটহীন সরকার নিয়ে যতদূর যাওয়া সম্ভব।ততটুকুই বোনাস। হিসাব তার #পরিস্কার।
চলতি যুক্তরাষ্ট্র সফরে যদি (পাকিস্তানি লবিস্ট দিয়ে ট্রাম্প শিবির ম্যানেজ করা যায়। আর ট্রাম্প সাহেব (চট্টগ্রাম এজেন্ডা, আরাকান আমি’ বিষয়ক ইস্যু গুলো) যদি বুঝেন তিনি পারবেন-তাহলে গণেশ উল্টে যেতে খুব বেশি সময় লাগবে না।
সুতরাং স্মরণ রাখা প্রয়োজন, বাংলাদেশের মানুষ ঝুঁকি আর নিরাপত্তাহীন অবস্থায় রয়েছেন। বিষয়টি বোদ্দা মহল আমলে না নিলে – বাংলাদেশের জন্য অশনিসংকেত অনিবার্য বলে দেশের রাজনৈতিক সচেতন মানুষেরা মনে করছেন।