রাজনৈতিক পর্যালোচনা
২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে কোটা সংস্কার দাবিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন দ্রুতই বিতর্কিত ঘটনাগুলোর একটিতে পরিণত হয়। বাংলাদেশের রাজনীতির এই আন্দোলনকে ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা, প্রাণহানি এবং রাষ্ট্রীয় সংকট তৈরি হয়।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর (OHCHR) তাদের প্রতিবেদনে আন্দোলন সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৪০০ জনের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে। কিন্তু এই সংখ্যাটি কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে—তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে দেশেবিদেশের বিভিন্ন মহলে।
রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তিগণ মনে করছেন, ” একবার অসাংবিধানিক রাস্তা খুলে দিলে যেকেউ আবারো শেখ হাসিনার পরিণতি ঘটাতে পারে।” আজকে ইউনুস করে গ্যাছে।কাল আরেকজন করতে পারে । রাষ্ট্র যদি একবার অধ্যাদেশ জালিয়াতি মেনে নেয় ,তাহলে সংবিধান আর সংবিধান থাকে না। যা তখন কাগজে লেখা এক গল্পে পরিণত হয়।
তারেক রহমানের সরকার যদি প্রকৃতভাবে বাংলাদেশকে স্থিতিশীল রাষ্ট্র বানাতে চায়, তাহলে জুলাই ২০২৪ এর এই ১৪০০ জনের মৃত্যুর হিসাব পরিস্কার করতে হবে। কারণ জুলাই ২০২৪ শুধু অতীত নয়। এটি আকটি ম্যাটিকুলাস ডিজাইনের ম্যানুয়াল। এই ধরনের ম্যানুয়াল যতক্ষণ রহস্যে ঢাকা থাকবে,ততক্ষন রাস্ট্রের ওপর ব্লাক্মেইলিং চলতে হবে। জুলাই ২৪ এ নিহতদের ওপর প্রকৃত তালিকা প্রকাশ করতে হবে। রিপোর্ট না মিললে -জাতিসংঘের রিপোর্টকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কর্মকর্তা ভারতীয় বংশদ্ভুত কাশ্মীরী হুমা খানের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে হবে। এই ব্যক্তি জাতিসংঘের এই বিতর্কিত রিপোর্ট তৈরি করেছেন। নির্ভরযোগ্য সুত্র মোতাবেক, শুধু তা নয়, তিনি এই সন্ত্রাসীদের নিজের বাসায় জায়গা দিয়ে বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের ভুমিকা রেখেছেন। যা ছিল কূটনৈতিক শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন ও জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী অপরাধ । জুলাই ২০২৪ এর ১৪০০ লাশের হিসাব রাষ্ট্রকে দিতে হবে- ইউনুসকে দিতে হবে। নাম-ঠিকানা, মৃত্যুর কারণ, মৃত্যুর সময়, কোথায় কবর? সকলকিছু। – বিভিন্ন তথ্য-উপয়াত্তের বিশ্লেষণ।