নিউজ ডেস্কঃ
সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা নষ্ট করতে বিএনপি-জামায়াত নতুন করে ষড়যন্ত্র করছে। জনসমর্থন না পেয়ে অসত্য ও মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। এই দল গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়। কিন্তু সাধারণ মানুষ তাদের এ স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে দেবে না। যে কোন মূল্যে জনগণকে সাথে এ নিয়ে ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়ানো হবে।
বক্তারা আরও বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারের হত্যা করার পর, এই দেশের ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। সংবিধান পরিবর্তন করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চারটি মূলনীতি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনাকে বিলিন করার চেষ্ঠা করা হয়েছে। তাই পরবর্তীদের দেশের জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, নির্বাচনে অংশ নিন। বাংলার মানুষ যদি আপনাদের চান তাহলে ভোট দিয়ে আপনাদের নির্বাচিত করবে। কিন্তু দেশে অরাজকতা তৈরী করলে দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক ভাবেই সেগুলো প্রতিহত করবে।
আজ বিকালে খুলনার শিববাড়ি মোড়ে পাবলিক হল চত্বরে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনা মহামারী ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানের পথে রয়েছে। যা আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে সমাবেশে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্ম সংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনর রশীদ।
খুলনা জেলা ও মহানগর আয়োজিত শান্তি সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, শরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু প্রমুখ।