।।গোপালগঞ্জ ট্র্যাজেডি।।সেখানে সহিংস ঘটনায় মানুষের উপর কারা গুলি ছোড়ে? -জনজিজ্ঞাসা

গোপালগঞ্জে গত ১৬ জুলাই সহিংস ঘটনায় সাধারণ মানুষের উপর কারা গুলি ছুড়ে ছিল ?

জনশ্রুত একবাক্য – ” নাহিদ -সারজিস -হাসনাতদের সুরক্ষার সাথে ঢাকায় ফিরিয়ে আনতেই সেনাবাহিনী গুলি ছোড়ে।”

গতকাল সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সোজা তাদের খুলনা সার্কিট হাউসে আনা হয় ।এরপর (গতকাল ১৬ জুলাই) রাত সাড়ে নয়টায় খুলনা প্রেস ক্লাবে এনসিপি প্রেস ব্রিফিং করেন ।

তাদের প্রেস ব্রিফিং এ বলা হয়েছে,” আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে গোপালগঞ্জে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি।”

মুল প্রসঙ্গে ফিরে আসা যাক,

 শুধু হাসনাত আব্দুল্লাহ নয় এনসিপির ( জাতীয় নাগরিক পার্টি ) নেতৃবৃন্দ বরাবরই বলে আসছে, “উত্তরপাড়া( ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ) ভারতের নিল নকশা বাস্তবায়ন করে। ” পাশাপাশি তারা বর্তমান সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানকে ভারতের দালাল হিসাবে অভিহিত করে থাকেন ।

গতকাল বুধবার (১৬ জুলাই) বিকাল পৌনে ৩টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্কে এনসিপি সমাবেশ স্থলে হামলার ঘটনা (সর্বজনবিদিত) ঘটে।

এরপর এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ” আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালিয়েছে। এ সময় পুলিশ-সেনাবাহিনী নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের বলা হয়েছিল, সবকিছু ঠিক আছে। কিন্তু তারা সমাবেশস্থলে এসে দেখেন পরিস্থিতি ঠিক নেই।”

 এনসিপির স্পষ্ট বার্তা ছিল- “পুলিশ-সেনাবাহিনী নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। “

দলটির আরেকজন সমাবেশ স্থল হামলার ঘটনার পরই উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন,” এখানে প্রোগ্রাম না – এখানে মুজিব বাদ -মুর্দাবাদ কম’সুচী হবে।”(স্থানঃ গোপালগঞ্জ ।১৬.৭.২৫ ইং)

অথচ গোপালগঞ্জ থেকে সেনাবাহিনীর এপিসিতে হাসনাত আবদুল্লাহ-সারজিস আলম- আক্তার হোসেনরা কঠোর নিরাপত্তায় খুলনায় আসেন।

তাহলে বিষয়টি দাড়াল – কখনো সেনাবাহিনী তাদের কাছে ভাল। ।যেমন ভালো ছিল ৫ আগস্ট’২৪ এ সেনাবাহিনীকে বাহাবা বা অভিনন্দিত করে ছিল -এই নাহিদ হাসনাত সারজিসরা।

সমাবেশ (গতকাল) পরবর্তী এনসিপির এমন ধাওয়া খেতে হল – যে ধাওয়া শুরু হওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ পালিয়ে গেল। এরপর এনসিপি নেতৃবৃন্দ ক্ষোভের সাথে বলেন,”পুলিশ বাহিনী ভেঙ্গে দিতে হবে। এরা দোসর। এরা(পুলিশ) ইচ্ছা করে পালিয়ে গেছে। এরা আমাদের রক্ষা করতে পারেনি।

এরপর গোপালগঞ্জে গতকাল বুধবার (১৬ জুলাই) রাত ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকাল ৬টা পর্যন্ত ২২ ঘণ্টার কারফিউ জারি করা হয়েছে।