আসন্ন বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ বাড়ছে

নিউজ ডেস্কঃ
চলতি বছর বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় অঙ্কের ভর্তুকি থাকছে, আর সেই সঙ্গে বাড়ছে বরাদ্দও।

নীতিনির্ধারকরা বলছেন, এবার বিদ্যুৎখাতে সঞ্চালন ও বিতরণব্যবস্থার আধুনিকায়ন গুরুত্ব পাচ্ছে। এদিকে জ্বালানিখাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলন, সঞ্চালন পাইপলাইন বৃদ্ধি অগ্রাধিকার পাবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ আসন্ন বাজেটে ৪১ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে। যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতের জন্য ৩৮ হাজার ২০ কোটি টাকা এবং জ্বালানি বিভাগের জন্য ৩ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নয়নে বরাদ্দ বাড়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদেরও।

তথ্যমতে, প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ হয় ১১ টাকা ৬৪ পয়সা। এর মধ্যে পিডিবি দেয় ৬ টাকা ৭০ পয়সা এবং সরকারকে ভর্তুকি দিতে হয় ৪ টাকা ৯৪ পয়সা। এ হিসেব চলতি অর্থ বছরে পিডিবির লোকসান হতে পারে ৪৬ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা, যার পুরোটাই ভর্তুকি দিতে হবে সরকারকে। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের এই লোকসান ৩৮ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার। অনলাইন।

তবে, ভর্তুকি কমাতে গত বছর জ্বালানির দাম কয়েক দফা বাড়ানো হয়। তিন দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়ে ১৫ শতাংশ। গ্যাসের দামও বাড়ানো হয় দুই দফা। আর জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয় ৪২ থেকে ৫২ শতাংশ পর্যন্ত। এতকিছুর পরও ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। ফলে আরেক দফা বাড়তে পারে দাম। এ অবস্থায় আগামী অর্থবছরের জন্য অতিরিক্ত ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ চায় এই দুই বিভাগ। বরাদ্দের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।