নিউজ ডেস্কঃ
অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে সরকারের পদত্যাগ, অবৈধ সংসদ বাতিল, দল নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন এবং নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে সবার অংশগ্রহণে জাতীয় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ।
আজ শনিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) খুলনায় কেসিসি মার্কেটের সামনে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চলে না কেন? এতো টাকা গেল কোথায়?
তিনি বলেন, সংবিধান জনগণের জন্য, সংবিধান দেশের জন্য।এজন্য বলেছি ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী দেশের মঙ্গলের জন্য আমরা সংবিধান পরিবর্তন করব। পুরোটা না করি, কিছু কিছু আমাদের পরিবর্তন করতে হবে।
তিনি বলেন, আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি শনিবার সারা দেশব্যাপী পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এ আন্দোলন কর্মসূচি সরকারের বিরুদ্ধে এক দফার আন্দোলন।
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ও নিতাই রায় চৌধুরী, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ক্ষমতা ছাড়া তারা কিছু ভাবতে পারে না। আমরা যদি ঘুরে দাঁড়াই, তারা বাংলাদেশে থাকতে পারবে না।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনার দেশের প্রতি দরদ নেই। খালেদা জিয়াসহ আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি চাইলে আন্দোলন করতে হবে। বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্থনীতি ফিরিয়ে আনতে সংগ্রাম করতে হবে।
সমাবেশ সঞ্চালনা করেন খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু ও মহানগর যুগ্ম আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেহেদী আহমেদ রুমী, বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক সোহরাব উদ্দিন, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা বিএনপির আহবায়ক মাহমুদ হাসান খান বাবু, বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, সহ প্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, সহ তথ্য গবেষণা সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক জাহানারা সিদ্দিকী, যশোরের আহবায়ক অধ্যাপক নার্গিস ইসলাম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান, নির্বাহী কমিটির সদস্য সাহারুজ্জামান মোর্তজা, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক এমপি আলাউদ্দীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট সাবিরুল হক সাবু, মাগুরা জেলা বিএনপির আহবায়ক আলি আহমেদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদ, মেহেরপুর সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন, সাতক্ষীরা আহবায়ক সৈয়দ ইফতেখার আলী, নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন রুনু, খান রবিউল ইসলাম, আয়েশা সিদ্দিকা মানি, নড়াইল সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, যশোরের দেলোয়ার হোসেন খোকন, বাগেরহাটের আকরাম হোসেন তালিম, মাগুরা আহবায়ক আলী আহমেদ, যশোরের সদস্য সচিব সাবেরুল হক সাবু, চুয়াডাঙ্গার সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, বাগেরহাটের এম এ সালাম, যুবদলের মহানগর সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, মেহেরপুরের জাভেদ মাসুল মিল্টন, কুষ্টিয়ার ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন, সেচ্ছাসেবক দল বিএনপি মহানগর সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তারিকুল ইসলাম জহীর, জেলা সভাপতি শেখ তৈয়েবুর রহমান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক একরামুল হক হেলাল, কৃষক দল জেলা সভাপতি মোল্লা কবির হোসেন, শ্রমিক দল জেলা সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা, মহিলা দলের মহানগর সভাপতি আজিজা খানম এলিজা, কৃষক দলের মহানগর সভাপতি আক্তারুজ্জামান তালুকদার সজীব, জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট তছলিমা খাতুন ছন্দা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি প্রমুখ।