।। ব্যারিস্টার তানিয়া আমির ।।
জুলাই সনদে যারা স্বাক্ষর করেছে,তারা দায়মুক্তি চাচ্ছে ।এটা একটা Abidence হয়ে গেল। তার বেশী কিছু না।
তারা সংবিধান যে পুনঃ গঠন করতে চাচ্ছে। তারা যদি নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পারে এবং দুই-তৃতীয়াংশ আসন পায় -তখন সেটা দেখা যাবে ।
নির্বাচন যদি হয়- (আমরা অলরেডি অক্টোবর (২০২৫ ইং) মাসের অর্ধেকের বেশী চলে এসেছি)।
এখনো কিন্তু ইন্টেরিম সরকার ইলেকশন কমিশনকে নির্বাচন প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য কোন আহ্বান জানান নাই। -অনলাইন।
এটা খুব সিরিয়াস এবং খুব সেনসিটিভ একটা বিষয় । আদৌ তারা ইলেকশন কমিশনকে আহ্বান জানাবেন কিনা – যেটা নিয়ে অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন আছে । সার্বিক প্রেক্ষিতে এই স্বাক্ষরে আইনি কোন প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে না। সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি কিভাবে হয়-সেটা সংবিধান নিজেই বলে দিয়েছে। সংবিধান বলেছে, এই সংশোধনের বিষয়ে সংসদ বলবে। তদ্রুপ সংবিধান সংশোধনের বিষয়ও কোন রাজনৈতিক দলকে কিন্তু সংসদ প্রতিনিধিত্ব করতে বলে নাই। সংসদ হলো জাতির ঘর।সংসদ যেহেতু এখন বিলুপ্ত। যে ক্ষমতা সংবিধান সংসদকে দিয়েছে, সে ক্ষমতা কোন সরকারকে দেওয়া হয়নি। এই সংবিধান সংশোধন কোন সরকারের নাই। কিংবা কোন দলেরও নাই।
ব্যারিস্টার তানিয়া আমির (পরিচিতি)
তানিয়া আমির একজন বাংলাদেশী আইনজীবী এবং অধিকার কর্মী ।
২০১৩ সালে,তানিয়া আমির বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী দলের নিবন্ধন অপসারণের আবেদনে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কারণ তাদের সংবিধান বাংলাদেশের সংবিধানের পরিপন্থী। হাইকোর্ট তখন দলটির নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেন।