ভারত সরকার হাসিনাকে মেরে ফেলবে, বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতেঃ মৃত্যুর আগে জবানবন্দিতে বদরুদ্দীন উমর

ফাইল ছবি।

নিউজ ডেস্কঃ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান মামলায় বদরুদ্দীন উমর ছিলেন দ্বিতীয় সাক্ষী।  চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি তদন্ত কর্মকর্তার কাছে ৬ পৃষ্ঠার জবানবন্দি দেন এবং ভিডিও জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়।

 

তার পূর্ণাঙ্গ লিখিত জবানবন্দির একটি অংশে তিনি বলেছেন, ৫ আগস্ট ২৪’ এর পরদিন সারা দেশে শেখ মুজিবের মূর্তি ও ম্যুরাল সাধারণ মানুষ নিজেরা ভেঙে ফেলে। কেউ কোনও নির্দেশ দেয়নি, তবুও এটি ঘটেছে। এটি এক ধরনের প্রকৃতির প্রতিশোধ—যার বহিঃপ্রকাশ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়ায় হয়েছে ।

 

জবানবন্দির আরেক জায়গায় সদ্য প্রয়াত বদরুদ্দীন উমর বলেছেন,

ভারতই একমাত্র রাষ্ট্র যেটা তাকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। ফলে পতনের পরে হাসিনা ভারতে পালিয়েছে। সে ওখানেই থাকবে।

 

ভারতের মোদী সরকার সম্পর্কে বদরুদ্দীন উমর বলেন,

আরেকটা শাস্তি হতে পারে যেটা আমি মনে করি—ভারত সরকার তাকে মেরে ফেলবে, নিজেদের বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে। তারা যতদিন তাকে রাখবে, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হবে না। আর সেই সম্পর্ক ভালো করতে গেলে তার ব্যাপারে একটা ফয়সালা করতে হবে। তাকে ওখানে রাখা যায় কি যায় না—সে প্রশ্ন না। তবে যদি মেরে ফেলে নরেন্দ্র মোদি, আশ্চর্য হবেন না। তারা এমনভাবে বিষয়টা সাজাবে যে মনে হবে বাংলাদেশি কেউ তাকে মেরেছে। এরকম একটি সংগঠিত প্রচার চালাবে। (অনলাইন)

 

মৃত্যুর আগে দেওয়া জবানবন্দিতে বদরুদ্দীন ওমর আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকারের শাসন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভারতের স্বার্থরক্ষায় নিয়োজিত ছিল। শেখ মুজিব ভারতপন্থী হলেও তিনি ভারতের নির্দেশে চলতেন না। কিন্তু শেখ হাসিনার শাসনব্যবস্থা ছিল সম্পূর্ণভাবে ভারতের নকশায় নির্মিত।