ইউনুস সরকারের উপদেষ্টাদের সততার ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ মির্জা ফখরুলের” -রিপোর্টটির কার্যত বাস্তবায়নে কি হতে পারে ?
মানুষ আর ফেরেশতা এক জিনিস নয়।
বিএনপি মহাসচিব মহাদয় একজন রাজপথের
মানুষ। ব্যক্তি মিজা’ ফখরুল এমন মন্তব্য করলে- তার দলের চাংগা নেতাকর্মীদের মনোবল হচ্ছে? নাকি প্রেক্ষাপট দিনদিন বদলে যেতে পারে?
সহজে অনুমেয়: পালে হাওয়া লাগেলে তো হবে না। পাবলিকের মনস্তাত্ত্বিক অরগ্যান না বুঝে ঝাপিয়ে পড়লে কি হবে ?
ইউনুস সরকার বিএনপির ওপর নিজেদের ভুলগুলো চাপিয়ে ক্লীন ইমেজ হিসাবে তুলে ধরতে চেস্টা চালাবেন।
আমাদের সকলের স্মরন রাখা প্রয়োজন :
৯৬, এর ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন। সম্ভবত জাতীয় সংসদ
১২ কায’দিবসে শেষ হয়েছিল।সরকারি কোষাগারের অর্থ ব্যয়। ( যা জনগণের টাকা)
বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন –
ইউনুস সরকার ১৫ ফেব্রুয়ারী মাকা’ একটা নির্বাচন
করিয়ে নিতে পারলেই – “সকল দায় হতে মুক্ত হতে সচেস্ট হতে পারবেন”।
। তারপর নির্বাচন পরবর্তী ৬-৮ মাস পর কি হবে? সে দায় কি ইউনুস সরকার নিবে?
বিষয় গুলো সুবিবেচনায় আনা প্রয়োজন বলে বিজ্ঞজনেরা মনে করছেন।
এ দিকে কয়েকটি পত্রিকায় সাবেক সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারের বরাত দিয়ে ৮ উপদেষ্টা নিয়ে বক্তব্যের বিষয়ে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল।
প্রকাশ করা আবশ্যক, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার নিজেকে পরিচয় দেন তার প্রেস ব্রিফিং এ।সেখানে তিনি বলেন, “এই উপদেষ্টাদের( ইউনুস সরকার) সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ হয় না, বদলিও হয় না।”৯.৮.২৫ ইং
প্রশ্ন হল – আমরা সাধারণ জনগণ কোন বক্তব্য সঠিক বলে মনে করবো?
ওদিকে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব হিসাবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে – তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।