মানুষ জানতে চায়: উত্তরায় বিধধস্ত বিমানটির ” ব্লাক বক্স”এ সংরক্ষিত তথ্যের কথা

>>বাংলাদেশের🇧🇩 কোটি মানুষের গণদাবী হোক <<

এটা এখন মানুষের আবেগ আর তীব্র জিজ্ঞাসার বাস্তবতার মুখোমুখি ⁉️

আমরা জেনে নিতে পারি – ব্লাক বক্স’ কি?

ব্ল্যাক বক্স হলো গিয়ে ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার। এটা একটি শক্তপোক্ত যন্ত্রাংশ যেটা একটি বিমানের বিভিন্ন তথ্যাদি সংরক্ষণ করে. যেমন বিমান টি কত উচ্চতায় আছে, বিমানের গতিবেগ কত, পিচ কত… এছাড়া এটি বৈমানিক ও ATC টাওয়ারের মধ্যেকার কথোপকথন ও রেকর্ড করে. এই যন্ত্র টি অত্যন্ত শক্ত পোক্ত, উচ্চ তাপরোধী এবং জল নিরোধক হয়ে থাকে। এটিকে এমন ভাবে বানানো হয় যাতে করে ৩৭০০০ ফুট ওপর থেকে পড়লেও যেন না ভাঙ্গে। এছাড়া এটি তে আলাদা করে ব্যাটারি থাকে যাতে করে মূল কাঠামোর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও এটি বেতার তরঙ্গ পাঠিয়ে অনুসন্ধান কারিদের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। এটি ১৭ থেকে ২৫ ঘন্টা পর্যন্ত ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের নিয়ামক সংস্থা গড়ে ৮০ থেকে ১০০ টি বিভিন্ন মাপক কে সংরক্ষণ করতে বলে, যদিও বোয়িং বা এয়ারবাস অনেক বেশি তথ্য জমা করে থাকে। এই যন্ত্র টি বিমানের লেজের কাছে থাকে, কারণ দেখা গেছে যে দুর্ঘটনা কবলিত বিমানের লেজ সবথেকে কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়. বর্তমানে বিভিন্ন নিয়ামক সংস্থা দাবি জানাচ্ছে যে বিমানের গতিবিধি ও পরিচালন সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পৃথিবীর বুকে আলাদা ভাবে সরাসরি সম্প্রচার ও সংরক্ষণ করার জন্য।