বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রশিক্ষণের যুদ্ধ বিমানটি কিভাবে জনবহুল এলাকায় উড়ানোর অনুমতি দিল ? (!!!)

বাংলাদেশের সেনাবাহিনীসহ বাহিনী গুলোর প্রতি নানা ঘটনার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দ্যাখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষ সহ শিক্ষার্থীর ।

পাইলট প্রশিক্ষণের আন্তর্জাতিক প্রটোকলগুলো নিশ্চিতভাবে বলছে, ” প্রশিক্ষণের শেষে বিমানকে নিয়ে যেতে হবে নিরিবিলি জায়গায়। অর্থাৎ এমন পরিবেশে – প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন যে ট্রেইনি পাইলটের ভুলের কারণে যদি বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে যায় । তাতে যেন সেই বিমানটি বিধ্বস্ত হয় -“জনহীন এমন জায়গায়। যাতে সবচেয়ে ক্ষতি কমানো যায় জান এবং মালের । “

 তাহলে প্রশ্ন উঠে -“সেখানে কি করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর  বিমানটি (‘এফ-৭ বিজেআই’) গতকাল ২১ জুলাই সোমবার দুপুরে এই জনবহুল এলাকায় উড়ল।সেটি জানবার কৌতূহল এখন সাধারণ জনগনসহ শিক্ষার্থী -অভিভাবকদের ।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনগণের মত- জনমতঃ  

হুবহু তুলে ধরা হল-

” দেশে অনেক জ্ঞ্যানি গুনিজন আছেন, কেউ কি বলতে পারেন দেশ স্বাধিনের পর ” তিন বাহিনীর ” যে কোন একটী বাহিনীতে আমরা বিশ্বে অনেক এগিয়ে ? 

 

উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বি’ধ্বস্ত ঘটনা পরবর্তী শিক্ষার্থীরা বলছে-” “সম্পুর্ণ দায়ভার নিতে হবে বিমান বাহিনীকে” । 

মানুষ জানতে চায়: উত্তরায় বিধধস্ত বিমানটির ” ব্লাক বক্স”এ সংরক্ষিত তথ্যের কথা ..

 

বিধ্বস্ত বিমানটি ছিল যুদ্ধবিমানঃ  আইএসপিআর

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটি প্রশিক্ষণ বিমান ছিল না। এটি ছিল একটি যুদ্ধবিমান।

আজ মঙ্গলবার এক বার্তায় বিষয়টি স্পষ্ট করেছে আইএসপিআর।

আইএসপিআর জানায়, মাইলস্টোনের ঘটনায় কিছু সংবাদমাধ্যমে লেখা হচ্ছে, বিমানটি একটি প্রশিক্ষণ বিমান ছিল।

আমরা বিনীতভাবে আবারও জানাতে চাই, এটি ছিল যুদ্ধে ব্যবহারের উপযোগী একটি যুদ্ধবিমান। বিমানটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিল।

গতকাল সোমবার বেলা ১টা ৬ মিনিটে রাজধানীর কুর্মিটোলার বিমানবাহিনী ঘাঁটি এ কে খন্দকার থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর এফটি-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমানটি স্কুল চত্বরের একটি দোতলা ভবনের ওপর এসে বিধ্বস্ত হয়।-  আইএসপিআর (২২.৭.২৫ ইং)

 

আন্তর্জাতিক পাইলট প্রশিক্ষণ প্রটোকলগুলো অবশ্যই কিছু মানদণ্ড এবং পদ্ধতি অনুসরণ করে যা বিশ্বজুড়ে বিমান চালনার নিরাপত্তা এবং সামঞ্জস্য নিশ্চিত করে। এই প্রটোকলগুলি মূলত বিমান সংস্থা, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং পাইলটদের জন্য একটি গাইডলাইন হিসেবে কাজ করে, যা তাদের প্রশিক্ষণ, যোগ্যতা এবং কর্মক্ষমতা সম্পর্কিত নির্দেশিকা প্রদান করে।

পাইলট প্রশিক্ষণের আন্তর্জাতিক প্রটোকলগুলোতে (গুরুত্বপূর্ণ) সাধারণত যা যা অন্তর্ভুক্ত থাকে:

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য:
পাইলটদের জন্য একটি নির্দিষ্ট শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার মানদণ্ড থাকে, যা তাদের উড্ডয়নের জন্য উপযুক্ত কিনা তা নিশ্চিত করে।

বিমান চালনা প্রশিক্ষণ:
পাইলটদের জন্য একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক উড়াল ঘণ্টার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়, যা বিভিন্ন ধরনের বিমান এবং পরিস্থিতিতে উড্ডয়নের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সহায়তা করে।

বিমান চালনা তত্ত্ব:
বিমানের গঠন, নেভিগেশন, আবহাওয়া, বিমান চলাচল আইন এবং অন্যান্য তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করাও আবশ্যক।

সিমুলেটর প্রশিক্ষণ:
বাস্তবসম্মত পরিবেশে প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য সিমুলেটর ব্যবহার করা হয়, যা পাইলটদের বিভিন্ন জরুরি অবস্থার জন্য প্রস্তুত করে।

বিমান চলাচল আইন ও নিয়মাবলী:
বিমান চলাচল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় আইন ও নিয়মাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

 

জরুরী অবস্থা মোকাবেলা:
পাইলটদেরকে বিভিন্ন ধরণের জরুরি অবস্থা যেমন – ইঞ্জিন বিকল হওয়া, অগ্নিকাণ্ড, জরুরি অবতরণ ইত্যাদি পরিস্থিতিতে কিভাবে মোকাবেলা করতে হয় তার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

ককপিট সহযোগিতা:
ককপিটে থাকা অন্যান্য ক্রুদের সাথে কিভাবে সহযোগিতা করতে হয় তার প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

এই প্রটোকলগুলো নিশ্চিত করে যে, পাইলটরা তাদের দায়িত্ব পালনে সক্ষম এবং বিমান চলাচলের নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারে।