বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শেখ হাসিনা অন্তত ডামি-টামি করে মানুষকে বুঝানোর চেষ্টা করছে। আর এরা বলতেছে ইলেকশনে যাওয়ারই দরকার নেই। মানে ইলেকশনের প্রক্রিয়াও হতে পারবে না।
তিনি বলেন, তাহলে এরা কি কোনো রাজনৈতিক দল হিসেবে গণ্য হতে পারে? এরা কি গণতন্ত্রের বিপক্ষের শক্তি নয়? এরা কি জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার বিপক্ষের শক্তি নয়?
রবিবার (১৩ জুলাই) বিকালে নগরীর মুরাদপুর এলজিইডি ভবনে মরহুম আব্দুল্লাহ আল নোমানের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
#”এরা বলতে”
বিএপির প্রথম সারির নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ড.ইউনুসের পরোক্ষ সহায়তায় জাতীয় নাগরিক পাটি’ এনসিপিকে বোঝাচ্ছেন নিশ্চয়ই।
তাহলে নিশ্চিত প্রশ্ন এসেই যায় জুলাই ২৪’ আন্দলোনে সেই নাগরিক শক্তির নাহিদ – সজীব আর সাবেক ছাত্রলীগের সারজিস, ইত্তেফাকের তারুণ্যের
পাটাতনে তো বিএনপি সংহতি কিংবা শরিক হয়েছিল।তাই না? নাকি ডীপ এস্টেটের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী পূর্ব পরিকল্পিত মোতাবেক জুলাই’২৪ এর তারাও অংশীদার ? এ জাতীয় ভাবনা -উপলব্ধি বাংলাদেশের অগণিত সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত তাদেরই। প্রসঙ্গক্রমে বলতেই হয়- বাংলাদেশের বড় একটা অংশ দরিদ্র শ্রেণীর নাগরিক।যারা উচ্চ বা ধনিক শ্রেনী দ্বারা বরাবরই ব্যাবহার হয়ে থাকেন।
বিষয় বিশ্লেষণে আসা যাক ।
তিনি বলেছেন – “এরা(এনসিপি) কি কোনো রাজনৈতিক দল হিসেবে গণ্য হতে পারে?”
“বিজ্ঞ নেতা মহাদয় “
এনসিপি কিংবা বৈষম্য বিরোধী আন্দলোনকারীদের সাথে জুলাই’২৪ শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। এরপর পুরা একটা বছর অতিবাহিত হয়েছে। নির্বাহী ক্ষমতায় ড. ইউনুসের সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
সাধারণ মানুষের মুখে মুখে -” বিএনপি বাংলাদেশের (আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে ভাবলে) এখন সব থেকে (ভোট ব্যাংকসহ) বড় রাজনৈতিক দল ।
জুলাই২৪’ পরবর্তী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সকল মামলা হতে খালাস পেয়েছেন। অথচ এখনো পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ড. ইউনুস সরকারের কার্যত স্পষ্ট কোন বার্তা নেই। পাশাপাশি জনাব তারেক রহমান সাহেবও বাংলাদেশে ফেরেননি । সাধারণ জনগণ- এই সব বিষয়কে কিভাবে অনুধাবন করতে পারে? আপনারাই ভাল বলতে পারবেন।
আমরা সাধারণ মানুষ মৌলিক মানের একটা জীবন নিয়ে বাঁচতে চাই। কিন্ত বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের অবস্থা কতটা নাজুক? মব সন্ত্রাস কিংবা কেউ কেউ বলছেন প্রেশার গ্রুপ , খুন-গুম,হত্যা,ধর্ষণ ,দখলদারি চলছে। এককথায় দেশ এক অরাজক পরিস্থিতির ভিতর দিয়ে অতিবাহিত করছে।
প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক, স্বাভাবিক যোগাযোগ -যার কোনটাই ইতিবাচক নয় । সহজভাবে বললে -নেতিবাচক সম্পর্ক বিরাজ করছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু আরও বলেছেন,( গনমাধ্যমে প্রকাশ) “এরা কি গণতন্ত্রের বিপক্ষের শক্তি নয়? এরা কি জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার বিপক্ষের শক্তি নয়?”