বাংলাদেশের দেশাত্মবোধ’ নিয়ে বিভাজনের বীজ রোপণ

সম্পাদকীয় ।।

অতি দু:খ ভারাক্রান্ত হয়ে কিছু বলার প্রচেষ্টা।
বংগবন্ধু কন্যা বাংলাদেশের বত’মান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।। তিনি বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন।
যারা একথা অনুধাবন করেন না, তাদের অবস্থান ভিন্ন।
সেটা প্রসঙ্গ নয়।

প্রসংগ হল, ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দলোনের শিক্ষার্থীরা – তারা ভিন্ন মতালম্বী হতেই পারেন।কিন্ত তারা মহান মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অজি’ত স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক তো?

আন্দোলনটা কোটা সংস্কার নিয়ে। তদুপরি সহিংসতায় হতাহতের সুষ্ঠু বিচার নিয়ে নানা মতামত – অভিমত। দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিক উক্ত ঘটনার ন্যায্য বিচার চান।
কিন্তু সেখানে এখন দ্যাখা যাচ্ছে সম্প্রতি – ভিন্ন ভুমিকা ,ভিন্ন বক্তব্য -অভিমত।
কেউ কেউ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাবহার করে বলছেন -” সরকারের পদত্যাগ। অথবা আর ১০% ধাক্কা দিলেই- সরকার পড়ে যাবে।”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পুনরায় সচল হওয়ার পর নতুন সংযোজন – শুদ্ধ বা অশুদ্ধ ভাষায় কটুবাক্য। কুরুচিপূর্ণ শব্দ আর অনৈতিক বাক্যের অনবরত চচা’।
পাশাপাশি ৫০ বছর পর বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকে ভুলে যাওয়ার নীল নকশাসম্বলিত নানা রকম পদক্ষেপ ও কার্যকলাপ ।

সহিংসতায় হতাহতের ঘটনা নিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করতে জাতিসংঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে সহযোগিতা চাওয়া।
যথাযথ সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং যারা এতে দোষী তাদের সাজার ব্যবস্থা হোক-সে বিষয়ে সরকার ও সরকার প্রধান আনুষ্ঠানিক ভাবেই বলেছেন।

এদিকে রেমিটেন্স যোদ্ধাদের নিয়ে শুরু হয়েছে চরম চক্রান্ত । যা অত্যান্ত দুঃখজনক !

এরপরও থামছে না – সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল সংস্কৃতি ।
মুক্তমনা -মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ আর বিপক্ষের আনকোরা বিভাজনের ফলাফল খুবই ভয়ঙ্কর বার্তা বহন করে থাকে। যা দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য হুমকিস্বরূপ !

আসলে – নিরপেক্ষ বিবেচনায় প্রশ্ন জাগে –
আজকের তরুণ শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন। কিন্ত সেখানে প্রশ্ন জাগে – তারা এ দেশের মহান মুক্তিযযুদ্ধের চেতনাকে কিভাবে মুল্যায়ন করবেন!!! কোন জিজ্ঞাসাসুচক প্রশ্ন নয়।তবে এটাই -জাতির জন্য বৃহৎ প্রশ্নবোধক ।