।।সম্পাদকীয়।।
দেশের অন্যান্য অঞ্চল গুলোর মত দেশের দক্ষিন অঞ্চল খুলনাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হুহু করে বাড়ছে । চাল,মাছ,ডিম, শাকসবজি,তরিতকারি সহ সব জিনিসেরই দাম বাড়ানোর একটা সাজ সাজ রব পরিলক্ষিত হচ্ছে।ক্রেতা সাধারণ সবকিছুর বেলায় বৈশ্বিক মন্দার বিসয়টি মানতে নারাজ ।সয়াবিন প্রতি লিটার সেই ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছু দোকানে লিটার ১৮৫ টাকা।
সরেজমিনে দ্যাখা যাচ্ছে,
সব চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা করে বাড়ছে । বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা সাধারণের সাথে নিত্যপন্য বাজারের ঊর্ধ্বগতি সম্পর্কে আলাপকালে তারা নানা রকম আশঙ্কার কথা বলেন।
অনেকেই বলছেন- দেশের বড় বড় কোম্পানির প্যাকেট জাত চালের ব্যাবসার সরকারী অনুমোদনকে চালের মুল্য বাড়ার বিশেষ কারন হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।আবার কেউ কেউ বলছেন, বড় বড় চালের আড়তে নিয়ম ভেঙ্গে অতিরিক্ত মজুদ করার বিষয় যৌক্তিক নজর নাই বলে তাদের দাবী ।
খুচরা ক্রেতা-বিক্রেতারা চালের ব্যাবসায় জড়িত ধান মজুদকারি -চালের মিল গুলোও অতিরিক্ত ধান -চাল মজুদ করে রাখায় চালের বাজারের লাগাম নাই।তাদের বক্তব্য- ” চাল নিয়ে সব কিছুই চলে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।”
এদিকে খুলনা শহরের কাচাবাজারে কাচাঝাল থেকে শুরু করে প্রতিটি জিনিসের দামই বাড়ছে ।কাচামরিচ -পিয়াজ -বেগুন-কচুরমুখি,কাঁকরোল,পটলসহ সকল কাচাবাজারের দাম বেড়েছে।
অনেকেই বলছেন -বিশেষ করে ডিমসহ নিত্যপন্য বিক্রির বিষয়ে পাইকারি ব্যাবসায়িরা রাজধানী মুখী হয়েছেন। যাতায়াতে পদ্মা সেতু হওয়ায় রাজধানীতে ক্ষুদ্র ব্যাবসায়িরা দিনে যেয়ে দিনেই ফিরে আসার সুযোগে কাচাবাজারিরা নগরীর স্থানীয় বাজারগুলোতে কম ভিড়ছে । যে কারনে কাঁচাবাজারের প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েই চলছে ।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুদু খুলনা নয়, উত্তর বঙ্গের স্থানীয় বাজার গুলোর একই অবস্থা ।
দেশের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় নিত্যপন্যের সহনীয় দর -দাম লাগামের বাইরে চলে গেলে তার নেতিবাচক পরিস্থিতি অমঙ্গলজনক হবে। আর তার সুবিধাগুলো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা সহজেই গ্রহন করে ফায়দা লুটতে পিছপা হবে না।
সে সবের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্টদের উক্ত জনগুরুত্বপুণ্য বিষয় সমুহ নিয়ে কার্যকারী পদক্ষেপ প্রয়োজন । প্রকাশ করা আবশ্যক, দেশের বাজার মনিটরিং সেল ও মোবাইল কোর্টের অভিজান গুলো বিগত সময়ে অতি মুনাফালভীদের হাওয়ার পাল টেনে ধরেছে ।সে সকল বিবেচনা সংশ্লিষ্টরা অবশ্যয় মাথায় রাখবেন বলে আমরা সাধারন ভুক্তভোগী মানুষেরা মনেকরি।।