আগস্ট মাসকে ঘিরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আবার সংগঠিত হচ্ছে।
বিভিন্ন সংবাদের তথ্যে জানা যাচ্ছে, ” ভারত সরকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে সরাসরি দ্যাখা করার সুযোগ দিতে যাচ্ছেন, (সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী)শেখ হাসিনার সাথে।”
এই প্রেক্ষিতে একটি আলোচনা দানা বাঁধছে যে – আওয়ামীলীগ আগামী ৫ আগস্ট’ ক্ষমতাচ্যুতির বর্ষপূর্তি ঘিরে বাংলাদেশ এবং ভারত মিলিয়ে কিছু একটা পরিকল্পনা করছে কি না? বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগ পুনরায় সংগঠিত হয়ে সক্রিয় হতে যাচ্ছে কি না ?
ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের গণমাধ্যমে আলোড়ন তুলেছে -“আগস্টে বাংলাদেশে কি হয় বা হতে পারে”? তার সত্যতা কতটা জানা না গেলেও -বাংলাদেশের বাস্তবতা কিংবা পরিস্থিতি এখন এই সম্পূর্ণ অস্থিতিশীল ।বলা যায় -একেবারে টালমাটাল।
বলে রাখা প্রয়োজন –
দেশে বিদেশের বিভিন্ন গনমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিমত ও রিপোর্ট অনুযায়ী – আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বসে নেই। তিনি ভার্চুয়াল মিডিয়াকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে নিয়মিত জনসংযোগ করছেন। তিনি তিনটি গ্রুপে কথা বলেন – Youtube, Whatsapp, Telegram,
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭৮ টি সাংগঠনিক জেলা আছে। যদিও বাংলাদেশের ৬৪ টি মুল জেলা। শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে ৭৪/৭৫ টি জেলায় ভার্চুয়ালই দলীয় কার্যক্রম শেষ করেছেন। সে সব জায়গায় তিনি নিয়মিত নির্দেশনা দিচ্ছেন।
তারা বলছেন -“৫ আগস্ট কিছু হবে কিনা -নিশ্চিত নয়। তবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রত্যাঘাতের প্রস্তুতি চুড়ান্তভাবে নিয়েছে।এ প্রত্যাঘাত জনগনের বিরুদ্ধে নয়।এ প্রত্যাঘাত বাংলাদেশের সিস্টেমের বিরুদ্ধে ।’