২৯ জুনের ভোটের মাধ্যমে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার আহবান পেশাজীবি সাংবাদিক সুরক্ষা মঞ্চ খুলনার

২৯ জুন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে)-এর নির্বাচন বর্জন সংক্রান্ত একটি সংবাদ পড়ে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন পেশাজীবি সাংবাদিক সুরক্ষা মঞ্চ খুলনার নেতৃবৃন্দ। বর্জনকারীরা রাতের আধারে অবৈধ পন্থায় নিজেরা কমিটি গঠন করে রাতারাতি নেতা বনে যাওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তাদের দেয়া সংবাদে বলা হয়েছে “অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে গঠিত নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান মুন্সি মো. মাহবুব আলম সোহাগ ঘোষিত খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে)-এর ২৯ জুনের নির্বাচন বৈধ নয়।”
নেতৃবৃন্দ বলেন, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের গঠনতন্ত্রের প্রত্যেকটি ধারা উপ-ধারা মেনেই প্রকাশ্যে এডহক কমিটি গঠিত হয়েছে। আর ওই বৈধ এডহক কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্তেই বর্তমান নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটি প্রত্যেকটি কর্মকান্ডই গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে নির্বাচন সম্পূন্য করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। যে কারণেই এই নির্বাচন পরিচালনা কমিটির থেকে আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, বিমল সাহা, দিলীপ বর্মণ পরিষদ প্রতিদ্বন্ধিতার লক্ষ্যে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। তারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন তারা কোন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন নি। এখন নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে নানা অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন কমিশনের উপর মিথ্যা দোষারোপ করছে বর্জনকারীরা। একই সাথে বর্জনকারীরা ভোটে অংশ নিয়ে পরাজয় রুখতে পারবে না বিধায় রাতের অন্ধকারে অবৈধ পন্থায় নিজেরা কমিটি গঠন করে রাতারাতি নেতা বনে যাওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এমন কি তড়িঘড়ি করে অনার বোর্ডে তাদের নাম লিখেছে। তাদের এই অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রের জবাব প্রকৃত সাংবাদিকরা ২৯ জুন দেবেন।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, যিনি ভোটার তালিকা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সেটি আদালতে মামলা এবং বিএফইউজে’র সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার থাকায় কোন অবস্থাতেই আমলে নিতে পারে না নির্বাচন কমিশন। সঙ্গত কারণেই নির্বাচন কমিশন আপত্তি আমলে নেয়নি। খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের ঐতিহ্য রক্ষার কাজে সাধারণ সদস্যদের বাধা দেয়ার এখতিয়ার কারোর নেই। এটি সাধারণ সদস্যদের হুমকি দেয়ার সামিল। নেতৃবৃন্দ হুমকি থেকে বিরত থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করার আহবান জানান। একই সাথে ২৯ জুন সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে ভোট প্রদানের জন্য সম্মানিত সকল ভোটারদের প্রতি আহবান জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন ‘পেশাজীবী সাংবাদিক সুরক্ষা মঞ্চ, খুলনা’র আহবায়ক এস এম হাবিব, যুগ্ম আহবায়ক খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক এস এম জাহিদ হোসেন, খুলনা টিভি রিপোর্টাস ইউনিটির আহবায়ক ও সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, খুলনা টিভি জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা জামাল পপলু, বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য কৌশিক দে বাপী, খুলনা ক্রাইম রিপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন আহমেদ, খুলনা টিভি ক্যামেরা এসোসিয়েশনের আহবায়ক নেয়ামুল হোসেন কচি. খুলনা কোর্ট রিপোর্টার ইউনিটির সভাপতি এম এ জলিল, সদস্য সচিব বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব মোঃ হেদায়েৎ হোসেন মোল্লাসহ আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ। খবরঃ বিজ্ঞপ্তির