সম্ভবত ১/১১ থেকে কতিপয় কুশীলবরা বাংলাদেশ নিয়ে প্লান- ‘এ সম্পন্ন করেছে জুলাই’২৪ এ ।যেমনটি পোশাকে তালি-সেলাই করে- কোন মতে চালানো। সেটা ছিল জুলাই ২৪’ তদুপরি ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা।
এখন ইতিমধ্যে শুরু প্লান- বি।একই হিসাব। এক বছর পর জুলাই ‘২৫।এখনকার প্রেক্ষাপটে সব থেকে বড় রাজনৈতিক সংগঠন – বিএনপি ইমেজ সংকটের মুখোমুখি। তদুপরি কুপোকাত করা।
বাংলাদেশের এখনকার রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে ড.ইউনুস সরকারের মিশন জনগণ অনেকটা আচ করতে পেরেছেন।
প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয়- বাংলাদেশের জাতীয় ইস্যু’ গুলো নিয়ে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো একমাত্র জবাব চাইতে পারেন আনুষ্ঠানিক ভাবে। যেটা বাংলাদেশের
মানুষের মাঝে একক কিংবা ২/৪ জন ব্যক্তি নিয়ে কিছু বললে ধোপে টেকানো যায় না।যদিও বিশ্বের first world country গুলোয়, public demand’ কে তারা নিজেদের মতো ফোকাস করে থাকেন ।
সুতরাং, আজকের জুলাই ‘২৪ পরবর্তী বাংলাদেশ ভিন্ন রুপে দৃশ্যমান।
একটি (আপাতদৃষ্টিতে পরিপক্ব) পক্ষ বলছে – সংস্কার, জুলাই সনদ। অন্য পক্ষ ( দেশের এক অর্থে) বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ। আর সেই বাংলাদেশের আলোকে ৭২’ এর সংবিধান ছুড়ে ফেলার ঘোষণার পরিকল্পনার ছক।সেগুলো প্রতিষ্ঠা করতে হলে- প্লান এ’ এবং প্লান বি’ পরিস্কার ভাবে কমপ্লিট করতে হবে।
ওই যেমন -জুলাই ‘২৪, কোটা বিরোধী আন্দলোন চলাকালে শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ” কমপ্লিট শাটডাউন” দেওয়া হয়েছিল। কখনো বিদেশ -বিভূই লন্ডন থেকে। আরার কখনো সামাজিক মাধ্যমের প্লাটফর্ম হতে।
অপ্রিয় হলেও সত্য সেই পক্ষটি হাড়ে হাড়ে এখন অনুধাবন করতে পারছেন “মহান মুক্তিযুদ্ধ -সংবিধানকে’ উপেক্ষা করে দেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা অসম্ভব ।