সেনাবাহিনীতে অস্থিরতা এখন ওপেন সিক্রেট, সদ্য প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১৪ জন বর্তমান সেনা কর্মকর্তার চাকুরী চলে গেছে

নিউজ ডেস্কঃ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে গত ৮ অক্টোবর বুধবার । 

বিভিন্ন তথ্য -উপাত্ত  বিশ্লেষণে জানা যাচ্ছে, সেনাবাহিনীর ভিতরে সম্প্রতি একটা অস্থিরতা বিরাজ করছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর এই ৩০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর থেকে শীর্ষ কর্মকর্তাদের যে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে  । 

 

উল্লেখ্য, সেনাবাহিনীর ভিতর প্রমোশন বোর্ডের যে কার্যক্রম চলছিল, সেই বোর্ডে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) ২ জন শীর্ষ কর্মকর্তা যোগ দেন নাই। এমন তথ্যও ওপেন সিক্রেট -৫৬ জন শীর্ষ জেনারালরা বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বৈঠক করেছেন সারাদিনব্যাপী । ক্যান্টনমেন্টের সেই বৈঠক চলেছে গভীর রাত পর্যন্ত । প্রশ্ন এসেই যায়, সেই অসন্তোষ কি শুধুই শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে?  

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ শেখ হাসিনাসহ যে ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে- তারমধ্যে ২৪ জনই সেনা কর্মকর্তা । আর ১৪ জন বর্তমান সেনা কর্মকর্তা আর ১০ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তা । 

প্রকাশ করা আবশ্যক,সেনাপ্রধান যাতে সিভিল কোর্টেই মামলা না হয়-সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা -রাষ্ট্রপতি বরাবর গিয়েছিলেন । কার্যত, তিনি কর্মরত সেনা কর্মকর্তাদের বিচার সেনা আইনের আওতায় নিয়ে আসা যায় কি না -সে চেষ্টা করেছিলেন বলে ওয়াকিবহাল সুত্র বলছে(অনলাইন)। 

 

চলতি বছরের আগস্টের শেষ দিকে সেনাপ্রধান প্রধান বিচারপতির কাছেও গিয়েছিলেন (সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছিল )”সিভিল কোর্টেই মামলা না”হওয়ার বিষয়ে।”

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ ২/৩ দিন আগে একটা প্রজ্ঞাপন দিয়ে সংশোধন আনা হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে -যেই মাত্র ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গ্রহন করে ফেলবে এবং

কারো বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হয়ে যাবে । তখন থেকেই-সেই ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রে আর কোন কর্মচারী থাকতে পারবেন না।  তার মানে যে সব সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হয়েছে – আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিধি অনুযায়ী সে সব সেনা কর্মকর্তার চাকুরী চলে গেছে।