সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড় হিন্দু ধর্মের অন্যতম তীর্থ স্থান। ছবি: সংগৃহীত
নিউজ ডেস্কঃ
চট্টগ্রামে সীতাকুন্ডে হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান চন্দ্রনাথ ধামে মসজিদ নির্মাণের ঘোষণার পর থেকে চরম আতঙ্কে দিন পার করছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন।
প্রসঙ্গত, গত চার বছর ধরে এই তীর্থভূমি নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। সম্প্রতি তীর্থভূমিতে থাকা মন্দিরের পাশে মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা
সংশ্লিষ্টদের মতে, হিন্দুদের পবিত্র এই তীর্থভূমির এমন নমুনা দেখে কেউ নীরব, কেউ সরব। ভেতরে ভেতরে এই তীর্থভূমি গিলে খেতে চায় দুবৃর্ত্তরা। মসজিদ তৈরির নামে সাম্প্রদায়িক হামলাও করতে চায় তারা।
সরকার দ্রুততার সঙ্গে এসব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে না পারলে বাংলাদেশ ভাবমূর্তি সংকটে পড়বে। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত ভোলানন্দগিরি আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী উমেশানন্দগিরি মহারাজ গনমাধ্যমকে বলেন, চন্দ্রনাথে খুব বাজে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তারা কখন কী করে তা যেমন বোঝা মুশকিল তেমনি বলাও মুশকিল। প্রতিদিন তারা এখানে এসে নারায়ে তাকবীর বলে শ্লোগান দিয়ে এমন পরিস্থিতির তৈরি করছে যা ভাষায় বলে বোঝানোর নয়।
এদিকে শ্রাইন কমিটি সরকারের তিন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকের পরই চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সনাতন ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান চন্দ্রনাথ পাহাড় ঘিরে ‘উসকানিমূলক’ কার্যক্রম দেখামাত্র ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তিন উপদেষ্টা।
শ্রাইন কমিটির নেতারা বলেছেন, পাঁচ বছর ধরে মন্দির ঘিরে বিভিন্ন ধরনের ‘উসকানিমূলক’ কর্মকাণ্ড দেখা যাচ্ছে। সম্প্রীতির ‘পরিবেশ নষ্টের’ অপচেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেছেন তারা।