সাংবাদিক মামুনের স্ত্রীর ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু দাবী করে সিভিল সার্জনের নিকট অভিযোগ

তদন্ত পূর্বক দোষি চিকিৎসক এবং ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মূলক
শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে সিভিল সার্জনের নিকট অভিযোগপত্র দাখিল
করলেন দৈনিক জন্মভূমির সিনিয়র সাংবাদিক মামুন খান ও নাগরিক
নেতৃবৃন্দ। এ সময় সিভিল সার্জন ডাঃ সুজাত আহমেদ সাংবাদিক মামুন
খান ও নাগরিক নেতৃবৃন্দ কাছ থেকে বিষয়টি ধর্য্য ধরে শোনেন এবং
প্রয়োজন পদক্ষেপ নেওয়ার আশ^াস দেন।
আজ রবিবার দুপুর ২টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ে সাংবাদিক মামুন
খানের স্ত্রী শায়লা শারমিন ভুল এনেসথেসিয়া এবং সর্বপরি চিকিৎসকদের
দায়িত্বে অবহেলা ও গরীব নেওয়াজ ক্লিনিকের উদাসীনতার কারণে কর্তৃপক্ষের
শাস্তির দাবিতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগপত্র দাখির করে দৈনিক
জন্মভূমির সিনিয়র সাংবাদিক খান মোহাম্মদ আজরফ হোসেন (মামুন খান)। এ
সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্থার সমন্বয়কারী
এ্যাডঃ মোমিনুল ইসলাম, ওয়ার্কার্স পার্টির মহানগর কমিটির সভাপতি শেখ
মফিদুল ইসলাম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির জেলা কমিটির সম্পাদকমন্ডলী
সদস্য এইচ এম শাহাদৎ, সিপিবি মহানগর কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান
বাবু, সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ নিত্যানন্দ ঢালী, খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য
সচিব এ্যাড ঃ বাবুল হাওলাদার, এ্যাডঃ চিত্ত রঞ্জন গোলদার, অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা,
টিইউসির মহানগর সভাপতি রংঙ্গলাল মৃধা, যুব ইউনিয়নের সভাপতি ধীমান
বিশ^াস, শিক্ষক নিতাই পাল, মোঃ আবাদুল হালিম, নিরোজ কুমার রায়, শাহ মােঃ
অহিদুজ্জামান, গৌরাঙ্গ সমাদ্দার, ভবেশ রায়। সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন
ডিবিসির ব্যুরো প্রধান আমিনুল ইসলাম, এশিয়ান টেলিভিশনের ব্যুরো
প্রধান বাবুল আক্তার, দীপ্ত টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান ইয়াসীন আরাফাত রুমী,
সাংবাদিক ই্ধসঢ়;উনিয়নের দপ্তর সম্পাদক শেখ আব্দুল হামিদ, দৈনিক খুলনা টাইমস
এর সম্পাদক সুমন আহমেদ, দৈনিক প্রবাহের সহকারী সম্পাদক বিমল সাহা,
দৈনিক পূর্বাঞ্চলের রঞ্জু, সোহাগ দেওয়ান, দৈনিক জন্মভূমির হারুণ আর রশীদ,
দেশসংযোগের খন্দকার মোঃ কবিরুজ্জামান বাপী, সিনিয়র সাংবাদিক দেবব্রত
রায়, দৈনিক প্রবর্তনের নাজমুল হক পাপ্পু প্রমুখ।
মামুন খান বলেন, আমার স্ত্রীকে সান্তনা এবং কথা বলে সাহস যোগাবার
একপর্যায়ে এ্যানেসথেসিয়া ডাঃ দিলিপ কুন্ডু আমাকে অপরেশন থিয়েটার
থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। তখন আমি দেখি আমার স্ত্রীর দুই হাত সেলাইনের
পাইপ দিয়ে বাধা। ছবি তোলার কোনো চেষ্টা না করা স্বত্তেও ডাঃ দিলিপ

স্বপ্রণোদিত হয়ে আমাকে ছবি কিংবা ভিডিও করা হতে বিরত থাকতে আদেশ
দেন।
তিনি আরো বলেন, আমার স্ত্রীকে দফায়-দফায় অজ্ঞানের ওষুধ প্রয়োগ করে পুরো
শরীর অজ্ঞান করা হয়। গরীব নেওয়াজ ক্লিনিক থেকে একপ্রকার মৃত্যুর মুখে ঠেলে
দিয়ে খুলনা সিটি মেডিকেলে নেওয়া হয়। বলা হয় এখানে আইসিইউ নেই।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এনেসথেসিয়া বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক
ডাঃ দিলিপ কুমার কুন্ডু ও গাইনী চিকিৎসক ডাঃ সানজিদা হুদা সুইটির
অবহেলা এবং গরীব নেওয়াজ ক্লিনিকের অব্যবস্থপনার জন্য মৃত্যু হয়েছে। নাগরিক
নেতৃবৃন্দ, তদন্ত পূর্বক দোষি চিকিৎসক এবং ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে
দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন। খবরঃ বিজ্ঞপ্তির