সম্প্রতি বাংলাদেশের মেইনস্ট্রিমের গণমাধ্যমে এক গোল টেবিল বৈঠকে মুখ্য আলোচকদের একজন ছিলেন বিজ্ঞ সমালোচক ফরহাদ মজহার ।
তাঁর বক্তব্যের চৌম্বক অংশ জনস্বার্থে তুলে ধরা হল।(ভিডিও -সংগৃহীত)
তিনি বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুসকে জুলাই ‘২৪ আন্দলনের কেউ নন বলে মন্তব্য করেছেন । বলা যায় – জুলাই ২৪’এর আন্দোলন “মেটিকুলাস ডিজাইন” এর মাঝদিয়ে শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। তার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কৌশলে ড. ইউনুসকে ডিফেন্ড করলেন।যাকে আর একটি ‘মেটিকুলাস ডিজইনের অংশ বলা যায় ।
তিনি ১৯৭১ সনের মহান মুক্তিযুদ্ধকে “গন অভ্যুথ্যান” হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। যা একবাক্যে অপ্রত্যাশিত হিসাবেই বিবেচ্য ।
তিনি ১৯৫২ সালের ভাষার জন্য লড়াইয়ের ক্ষেত্রে “ইসলাম ধর্মকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। যা কতটা প্রাসঙ্গিক? তা বাংলা ভাষাভাষী মানুষদের ভেবে দ্যাখা প্রয়োজন।
তিনি বাংলাদেশের নির্বাচন সম্পর্কে প্রধ্ন তোলেন – “কিসের নির্বাচন?”
ফরহাদ মজহার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্যঃ
ফরহাদ মজহার (জন্ম: ৯ আগস্ট ১৯৪৭) একজন বাংলাদেশি কবি, দার্শনিক, মানবাধিকার কর্মী ও পরিবেশবাদী। বাংলাদেশের জুলাই ‘২৪ আন্দলন পরবর্তী সময়ে তিনি ১৯৭২ সালে প্রবর্তিত সংবিধানের একজন বড় সমালোচক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
* ফরহাদ মজহাররের সহধর্মিণী সাকী সেলিমা (বিচ্ছেদ)। (বর্তমান) ফরিদা আখতার।তিনি হলেন বাংলাদেশের লেখক, গবেষক, আন্দোলনকর্মী ।ফরিদা আখতার বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের (মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়) উপদেষ্টা (-বর্তমান) [ প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস] একজন উপদেষ্টা।
• ফরহাদ মজহার সহিংসতায় উস্কানি দেওয়ার জন্য ২০১৩-২০১৪ সালে গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন।সলিমুল্লাহ খানের (তিনি হলেন একজন প্রথিতযশা বাংলাদেশী চিন্তাবিদ ও লেখক) সাথে তাঁর বিতর্ক লেখক ও বুদ্ধিজীবী মহলে বেশ সাড়া ফেলেছিল।
• ২০১৭ সালের ৩ জুলাই ঢাকার শ্যামলীর আদাবরের নিজ বাড়ি থেকে ভোর পাঁচটার দিকে ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করা হয়। এর ১৮ ঘণ্টা পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁকে যশোরের অভয়নগরে একটি বাস থেকে উদ্ধার করে। পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও পুলিশ অবশ্য এই সন্দেহ প্রকাশ করে যে, ফরহাদ মজহারকে গুম করা হয়নি, বরং তিনি নিজেই আত্মগোপন করেছিলেন। অবশ্য গুম নাকি আত্মগোপন, কোনোটির স্বপক্ষেই যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।