সম্পাদকীয় ।।
ক্ষতি কই দেখছেন? দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। বাংলাদেশ নাকি আবার স্বাধীন হয়েছে? বংগবন্ধু কন্যাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে।বিতড়িত করা হয়েছে।
সমস্যা কি – এখন সকলে পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে এসে – মনখুলে সবাই সমালোচনা, গালিগালাজ করতে পারবে।
হাজার অনিয়মের অভিযোগ সম্বলিত মামলা করা হচ্ছে সাবেক সরকারের বিরুদ্ধে। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করা-প্রতিটি নাগরিকের গনতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু অভিযোগ আর প্রমাণ স্বপক্ষে অভিযুক্ত হওয়া এক জিনিস নয়।
সত্যের জয় হবেই হবে।
হ্যাঁ – বিগত সরকারের কোন ভুল ছিল না। সেটা বলার সুযোগ নেই। কিন্তু এভাবে দেশটাতে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো কোন সুনাগরিকের কাম্য হতে পারে না।
আরেক টু বলতে হয়- কোটা সংস্কার আন্দোলন ছিল – অহিংস। দেশের অগনিত মানুষ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছিলেন। তাদের ৯ দফার প্রতিও তখনকার সরকার আলোচনায় বসতে চেয়েছিলেন। কিন্ত অতি অল্প সময়ের ব্যাবধানে ১ দফায় দেশের আবগকে একত্রিভুত করা হলো। হারিয়ে গেল চিরতরে কতশত তাজাপ্রাণ!
বাকি অধ্যায় আমাদের সকলেরই জানা।
শেষান্তে অকপটে বলতেই হয়- রাষ্ট্র সংস্কার হওয়ার প্রতিশ্রুতি। আর সাধারণ মানুষের আকাংখিত বাংলাদেশের মধ্যে দুরত্ব কতটা? সেটা এই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এখনো জানতে চায়নি।তবে নিশ্চিত তারা জানতে চাইবেন। কারন মানব সম্প্রদায়ের অগ্রসরতা দ্রুত বাড়ছে।তাই- কিছু বাস্তবতা সময়ের পরিক্রমায় আসবেই আসবে।প্রকৃতিগত ভাবেই আসবে।প্রয়োজন শুধু আপেক্ষা।