নগরীকে সবুজায়ন ও সোলার সিটি করে গড়ে তুলতে হবে। জলাবদ্ধতার নামে বারংবার প্রকল্প গ্রহন করে রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় করা উচিত হবেনা। সিটি কর্পোরেশনের প্রকল্পগুলো যেন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। জনগনের মতামতের ভিত্তিতে সিটি কর্পোরেশন গড়ে তুরতে হবে। ২২খাল হয়েছে ২২ ড্রেন। ২২খালের জায়গা ২২ খালকে ফিরিয়ে দিতে হবে। নিয়মিতভাবে ড্রেনগুলো পরিষ্কার ও সংস্কার করতে হবে। নগরীর সড়কগুলো দ্রুত সংস্কার করতে হবে। এভাবে বললেন জনউদ্যোগের আলোচনা সভায় বক্তারা।
আজ রোববার বেলা ১১টায় জনউদ্যোগ,খুলনা উদ্যোগ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে “জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা” শ্লোগানকে সামনে রেখে খুলনাকে পরিচ্ছন্ন,সবুজ, নবায়নযোগ্য- জ¦ালানী নির্ভর নগরী গড়ে তোলার দাবিতে অলোচনা ও ষান্মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জনউদ্যোগ,খুলনার আহবায়ক শিক্ষকনেতা মানস রায়। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব মহেন্দ্রনাথ সেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খুলনা সিভির সোসাইটির আহবায়ক এস এম শাহনওয়াজ আলী, নারী নেত্রী এড. শামীমা সুলতানা শীলু, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সমন্বয়কারী এড. মোমিনুল ইসলাম, দৈনিক জন্মভূমির নির্বাহী সম্পাদক সরদার আবু তাহের, ্ইন্সপায়ার কন্সালটেন্সি বাংলাদেশ এর সমন্বয়কারী বাহালুল আলম, নারী নেত্রী নূরুন নাহার হীরা, কৃষ্ণা দাশ, যুব সেলের জয় বৈদ্য ও দীপ বৈদ্য প্রমুখ।
বক্তার বলেন,মানুষ যখন খনিজ সম্পদ ব্যবহার করতে শুরু করেছে,তখন থেকেই জলবায়ু বৈরীভাব করতে শুরু করেছে। এই পরিবর্তনের জন্য আমরা দায়ি নয়। যারা দায়ি তারা আমাদের ক্ষতিপূরন দিচ্ছেনা। বরং অনুদানের বদলে ঋণ দিচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা সরকারের মাধ্যমে ক্ষতিপূরন চাই। খবরঃ বিজ্ঞপ্তির