খুলনার বাতাসে প্রতিনিয়ত ভারি বস্তুকনা বাড়ছে। নির্মাণ কাজ, কাঠ
পুড়িয়ে কয়লা ও ইটভাটা থেকে এই ধুলাবালু বাড়ছে। পরিবহন থেকে
নির্গত ধোঁয়া, ক্ষতিকর জ্বালানি থেকে বাড়ছে সালফার ডাই-অক্সাইড।
ওজনসহ বাতাসে এসব উপাদান বেশি থাকায় ফুসফুসের ক্যান্সার,
চর্মরোগ, কাশি, হাঁপানিসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে
খুলনাবাসি। এতে করে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুকি। মহানগরীর অধিকাংশ
রাস্তাঘাট ধূলোয় আচ্ছাদিত। নিয়মনীতি না মেনে উন্নয়ন সামগ্রি
যেখানে সেখানে ফেলে রাখা। শহর মেরামত না করায় শহরের এই দশা।
পরিবেশ দূষণ রোধে নিয়ম না মেনে উন্নয়ন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে
কেসিসি, ওয়াশা ও সড়ক বিভাগ। পিছিয়ে নেই ব্যাক্তিমালিকানা
অবকাঠামো ও বর্জ্যব্যবস্থাপনা। ব্যাক্তিমালিকানায় যারা নির্মাণ কাজ
করছে তারা ভবন তৈরীতে যে নিয়ম আছে তা মানছে না। অভিযোগ না
দেওয়ার অযুহাতে কর্তৃপক্ষ প্রতিনিয়ত দৃষ্টি এড়িয়ে যাচ্ছে। দোহাই
দেওয়া হচ্ছে সংশ্লিষ্ঠ বিভাগে লোকবলের। এভাবে চলতে থাকছে পরিকল্পিত
খুলনা গড়ে ওঠা সম্ভব নয়। এভাবে বললেন জনউদ্যোগ,খুলনার
কর্মপরিকল্পনা সভায় বক্তারা।
আজ রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় খুলনা আর্ট স্কুল মিলনায়তনে
জনউদ্যোগ,খুলনার উদ্যোগে উন্নয়ন, নারী,পরিবেশ ও সংখ্যালঘু
ইস্যুতে কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন
জনউদ্য্ধেসঢ়;গ,খুলনার আহবায়ক মানস রায়। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের
সদস্য সচিব সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন। সভায় অন্যনান্যদের মধ্যে বক্তব্য
রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাডঃ আফম মহসিন বাংলাদেশ মানবাধিকার
সংস্থার সমন্বয়কারি এ্যাডঃ মোমিনুল ইসলাম, সমাজসেবক মাসুদ
মাহমুদ, পোল্ট্রি ফিস ফিড শিল্প মালিক সমিতির মহাসচিব সোহরাব
হোসেন, খুলনা আর্ট স্কুলের পরিচালক বিধান চন্দ্র রায়, নারীনেত্রী
নূরুন নাহার হীরা, কৃষ্ণা দাস, ছাত্রনেতা জয় বৈদ্য, সাগর সরকার
প্রমুখ।
সভায় আগামী ৪ জুন পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে পরিবেশ সমাবেশ,
চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি করার সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় নারী ইস্যুতে সেমিনার সহ ছয়মাসের কর্মসূচি নেওয়া হয়।