সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ফেসবুকে সম্প্রতি বিভিন্ন রকম বিভ্রান্তিমুলক পোষ্ট বেশী বেশী করা হচ্ছে। যা সাধারণ ফেসবুক ব্যাবহারকারিদের বিব্রত ও বিপর্যস্ত মুলক পরিস্থিতির মুখোমুখি করে দিতে পারে। এজন্য গ্রুপের ADMIN & MODERATOR এর দায়িত্বে যারা রয়েছেন,তাদের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার অনুরোধ জানানো হল। ৩.১০.২৫ ইং
গুগলের এ বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা …
ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর এবং ভুল তথ্যের পোস্ট বেড়েছে, যা মূলত জাল খবরের প্রচার, ভুয়া পেজ ও নকল অ্যাকাউন্ট তৈরি এবং নীতিগত পরিবর্তনের পর সহিংস কনটেন্ট বেড়ে যাওয়ার কারণে ঘটছে। ব্যবহারকারীদের এই ধরনের পোস্ট শনাক্ত করতে এবং রিপোর্ট করতে উৎসাহিত করা হয়, যাতে প্ল্যাটফর্মটি সুস্থ থাকে।
বিভ্রান্তিকর পোস্ট বাড়ার কারণ
জাল খবর ও ভুয়া পেজ: মূল গণমাধ্যমের নাম ও লোগো ব্যবহার করে ভুয়া পেজ তৈরি করে নকল বা বিভ্রান্তিকর খবর প্রচার করা হচ্ছে, যা ব্যবহারকারীদের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি করছে।
নকল অ্যাকাউন্ট: সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক নেতা বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভুল তথ্য ছড়ানোর জন্য বিভিন্ন নকল আইডি তৈরি করে পোস্ট করা হচ্ছে।
নীতিগত পরিবর্তন: ফেসবুকের কিছু নীতিগত পরিবর্তনের পর সহিংস কনটেন্ট ও হয়রানিমূলক আচরণ বেড়েছে বলে একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এআই-এর ব্যবহার: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে এমন পোস্ট তৈরি করা হচ্ছে যা অনেক সময় ভুল তথ্য ছড়ায়, যার ফলে ফেসবুকের রিভিউ প্রক্রিয়াতেও ভুল হতে পারে।
ব্যবহারকারীদের করণীয়
সচেতন থাকুন: পোস্টের উৎস যাচাই করুন। মূল এবং নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমের নাম ও লোগো ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া পেজ থেকে সাবধান থাকুন।
প্রোফাইল ও পেজ পরীক্ষা করুন: যে প্রোফাইল বা পেজ থেকে পোস্টটি আসছে সেটি আসল কিনা, তা যাচাই করুন।
রিপোর্ট করুন: কোনো পোস্ট বিভ্রান্তিকর বা আপত্তিকর মনে হলে ফেসবুকের মাধ্যমে রিপোর্ট করুন।
এড়িয়ে চলুন: ভুল তথ্য ছড়ানো পোস্ট বা অ্যাকাউন্ট এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের পোস্ট শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।