নিউজ ডেস্কঃ
ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) সামনে ভাঙারি পণ্যের ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের সময় মো. সোহাগ (৪০) নামের যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র্যাব। এর মধ্যে একজনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এজাহারভুক্ত দুই আসামি—মাহমুদুল হাসান মহিন (৪১) এবং তারেক রহমান রবিন (২২)-কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় রবিনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, র্যাব-ও এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ফলে মোট চারজন আসামি গ্রেপ্তার হলো।
এদিকে গ্রেপ্তারকৃত মহিন ও রবিনকে শুক্রবার আদালতে তোলা হয়। এদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মাহমুদুল হাসান মহিনকে পাঁচ দিন ও তারেক রহমান রবিনকে দুই দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত,
ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ সামনে ভাঙারি পণ্যের ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের সময় মো. সোহাগ (৪০) কে নৃশংস ভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় গত ৯ জুলাই বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে ।