সম্প্রতি ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস বিদেশি সাংবাদিকের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে হঠাৎ বলে বসলেন যে,” অনেকে তো আমাকে ৫০ বছর ক্ষমতায় থাকতে বলছেন ।
চাউর রয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
ক্ষমতার ভাগাভাগি সরকারে পরিণত হয়েছে ।কথিত আছে, বিএনপি জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি সম্পূর্ণরূপে ভাগাভাগি করে চলছে। পথ পদায়ন, ক্ষমতা, টেম্পো স্ট্যান্ড,বাস স্ট্যান্ড , ব্যাংক-বীমা বিশ্ববিদ্যালয় -সর্বত্র ক্ষমতার ভাগাভাগি।
প্রশ্ন উঠতেই পারে,কথিত রয়েছে- বিএনপি নির্বাচন হলেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় চলে আসবে। তাহলে বিএনপি কেন এই ভাগাভাগি সরকারি ব্যবস্থাপনায় দিনের-পর-দিন মাসের-পর-মাস চলতে দেবে?জামায়াতে ইসলামী কেন সর্বশক্তি নিয়ে বিএনপি’র সাথে সংহতি জানাচ্ছে না? বিএনপির তারেক রহমান কেন দেশে আনার গ্রিন সিগন্যাল পাচ্ছেন না?
খেয়াল করলে দ্যাখা যায়,
বিএনপি-জামায়াতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভোটের পর ভোট হচ্ছে ।তাতে দেখা যাচ্ছে যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভোটের জামায়াতে ইসলামী এককভাবে মানে ছাত্রশিবির এককভাবে বিজয় লাভ করছে ।এনসিপি জাতীয় নাগরিক পার্টি সেখানে তাদের ছাত্র সংগঠন নিয়ে দাঁড়াতেই পারছে না। ছাত্রদল একটা মর্যাদাসম্পন্ন কোন একটি বড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জয় তুলে আনতে পারছে না ।বিএনপি এর সর্বোচ্চ নেতা দেশে ফেরার গ্রিন সিগন্যাল পেতে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দিকে সকলের প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে । কাজেই এই যে যমুনায় বারবার যাওয়া । যমুনায় যতবার বড় রাজনৈতিক দলগুলো গিয়ে উপস্থিত হয় ,তখন ডঃ ইউনুসের এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আরো শক্তি জুগিয়ে আসেন ।এই সমর্থন জানিয়ে আসার নাটক মাসের পর মাস চলে আসছে।
মোদ্দা কথা হল (জনশ্রুত)- ক্ষমতার সময়টাকে ডক্টর ইউনুস সময়টাকে লম্বা করতে চান । যে জন্য তিনি কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে না দিয়ে তিনি ক্রমাগতভাবে ভোটের আগেই জুলাই সনদ, ঘন ঘন সাংবিধানিক ভিত্তি আগে এমন অনেক অনেক এজেন্ডা সামনে সাজিয়ে রাখেন । যেগুলোর একটার পর একটা মীমাংসায় শেষ পর্যন্ত এই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের তারিখ কখনো আসবে না । সহস্রবার ডক্টর ইউনুস এবং তার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা বলতে পারেন যে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে । আসলেই কি ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস সরকার নির্বাচনের পথে হাঁটছেন? নাকি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার হয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন অনেকে?