কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেলেন না ফজলুর রহমান,বহিষ্কার আর স্থগিতাদেশ কি এক?

নিউজ ডেস্কঃ

দীর্ঘ ৯ বছর পর কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে এই সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকলেও, দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমানকে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ‘বিভ্রান্তিকর’ বক্তব্যের জেরে দল থেকে ৩ মাসের জন্য বহিষ্কৃত হয়েছেন।

​

জানা গেছে, সম্মেলনের ব্যানার ও দাওয়াতপত্রে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানের নাম নেই। দলের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

​এ বিষয়ে ফজলুর রহমান সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, “আমি দল করতে চাই। আমার জেলায় সম্মেলন হবে, ১৩টি উপজেলার ২১টি ইউনিট আমি আট বছর ধরে তৈরি করেছি। এখন যারা করছেন, তারা সবাই আমার ছোট ভাই। আমার সেই ফাউন্ডেশনের ওপর তারা সংগঠনটা করছেন। আমি এখন একদম বাতিল হয়ে গেলাম!”

​ফজলুর রহমান আরও বলেন, “একটা কথার জন্য আমাকে তিন মাসের জন্য দলের সব কার্যক্রম থেকে স্থগিত করা হয়েছে।” তিনি দলের নেতৃত্বের প্রতি তার স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার অনুরোধও জানিয়েছেন।

​কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি সম্মেলনটি পুরাতন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে নতুন নেতৃত্বের জন্য কাউন্সিলরদের মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হবেন। মোট ২১টি ইউনিটের ২,০৯০ জন কাউন্সিলর তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

উল্লেখ্য,বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমানের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।তিনি বহিষ্কৃত নন। বহিষ্কার আর স্থগিতাদেশ এক হল?

জনমনে প্রশ্ন, স্থগিতাদেশ থাকাকালীন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আমন্ত্রণ না পাওয়াটা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের জন্য অসন্মান ও অপমানজনক।