এনসিপির মিছিল হতে (মিডফোর্ড হাসপাতালের সামনে) সোহাগ হত্যার মুল আসামি মহিনকে আটক ও ঘটিত ঘটনার গুরুত্বপুণ্য তথ্য

মিডফোর্ড হাসপাতালের সামনে সোহাগকে (যিনি লাল চাঁদ নামেও পরিচিত) নৃশংসভাবে পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে এবং কুপিয়ে হত্যার ঘটনার মূল আসামি মাহমুদুল হাসান মহিন এনসিপি- শিবিরের মিছিলে গিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলো।স্লোগান ছিল “বাবসায়ীদের ভয় নাই, চাঁদাবাজের ঠাই নাই”।দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার সিসিটিভির ফুটেজ দেখে তাকে খুজছিল।সেখান থেকেই মহিনকে প্রথমে আটক করার চেষ্টা করা হয়। তখন এনসিপির কর্মীরা পুলিশকে বাধা দেয়।পরে পুলিশ মহিনকে আটক করে।

উক্ত ঘটনা সম্পর্কিত আরও কিছু তথ্যঃ

# প্রকাশ্যে সংঘটিত সোহাগ(যিনি লাল চাঁদ নামেও পরিচিত) হত্যার ঘটনায় যারা জড়িত ছিলেন তারা বিএনপির সহযোগী সংগঠন যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে স্থানীয়ভাবে জড়িত বলে অভিযোগ ওঠে।

এরপর বিএনপির সহযোগী ওই তিন সংগঠন পাঁচ জনকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।(তথ্য সঙ্কলন- বিবিসি বাংলা)

# নিহত সোহাগের বোন কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

উক্ত মামলার এজাহারে তিনি জানিয়েছেন, তার ভাই ঢাকার রজনী বোস লেন এলাকায় অনেক দিন ধরেই ভাঙারি পণ্যের ব্যবসা করতেন। তার সঙ্গে ব্যবসায়িকসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মামলার আসামিদের বিরোধ চলছিলো।

আসামিরা ওই ব্যক্তির ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গুদামে তালা দেওয়া ছাড়াও তাকে এলাকাছাড়া করতে বিভিন্ন সময় হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলো বলেও এজাহারে বলা হয়েছে।

 # এ ঘটনায় এনসিপি নেতা সারজিস আলম তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন–– “আপনার দলের নেতাকর্মী নামক কতিপয় নরপিশাচকে সামলান, জনাব তারেক রহমান। যে নিয়মে আওয়ামী লীগের করা হ-ত্যার দায় খু-নী হাসিনার উপর বর্তায়, সেই একই নিয়মে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের করা খু-নের দায় আপনার উপরেও বর্তায়…..।”