আদৌ কি চলচ্চিত্রের সুবাতাস বইছে? -১

।।সম্পাদকীয়।।

প্রতিটি দেশেই চলচ্চিত্র অংগন রয়েছে। যেটা সাধারণ মানুষের বিনদনের অন্যতম অনুসংগ।৬০- ৭০ দশক থেকে বলা যায় ৯০ শতক অবদি দেশীয় চলচ্চিত্রের চমৎকার একটা ধারাবাহিকতা ছিল।যে সব আজ অবদি চলচ্চিত্রের অলংকার হিসাবে বিবেচ্য।
৯০ দশক পরবর্তী বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ওপর দিয়ে বয়ে গেছে প্রতিকুলতা।কখন অশ্লীলতা, কখনো কাটিং- পাইরেসি সহ বহুমুখী নেতিবাচক কাজ – করম।
সাধারণ একটা জনজিজ্ঞাসা সরবত্র- চলচ্চিত্রে সুবাতাস কি আদৌ ফিরেছে?

মুস্টিমেয় কিছু ভাল সিনামা সাধারণ দর্শক পেয়েছেন। তাও হাতে গোনা। জনশ্রুতি রয়েছে, ১ বা ২ জন নায়ক- নায়িকার প্রতি আমাদের দেশীয় চলচ্চিত্র নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।যা নিঃসন্দেহে পরিতাপের বিসয়।
বাংলাদেশের বিনদন প্রেমী মানুষ গুলো যে কারনে ভারতীয় হিন্দি – বাংলা চলচ্চিত্রের দিকে ঝুকে পড়ছে দিনকে দিন।শুনতে খারাপ শোনালেও আমাদের দেশীয় চলচ্চিত্রের চাহিদা ক্রমে কমতে শুরু করেছে।এটাকে অনেকটা অশনিসংকেত। কিন্ত সে

আদৌ কি চলচ্চিত্রের সুবাতাস বইছে? -১

।।সম্পাদকীয়।।

প্রতিটি দেশেই চলচ্চিত্র অংগন রয়েছে। যেটা সাধারণ মানুষের বিনদনের অন্যতম অনুসংগ।৬০- ৭০ দশক থেকে বলা যায় ৯০ শতক অবদি দেশীয় চলচ্চিত্রের চমৎকার একটা ধারাবাহিকতা ছিল।যে সব আজ অবদি চলচ্চিত্রের অলংকার হিসাবে বিবেচ্য।
৯০ দশক পরবর্তী বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ওপর দিয়ে বয়ে গেছে প্রতিকুলতা।কখন অশ্লীলতা, কখনো কাটিং- পাইরেসি সহ বহুমুখী নেতিবাচক কাজ – করম।
সাধারণ একটা জনজিজ্ঞাসা সরবত্র- চলচ্চিত্রে সুবাতাস কি আদৌ ফিরেছে?

মুস্টিমেয় কিছু ভাল সিনামা সাধারণ দর্শক পেয়েছেন। তাও হাতে গোনা। জনশ্রুতি রয়েছে, ১ বা ২ জন নায়ক- নায়িকার প্রতি আমাদের দেশীয় চলচ্চিত্র নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।যা নিঃসন্দেহে পরিতাপের বিসয়।
বাংলাদেশের বিনদন প্রেমী মানুষ গুলো যে কারনে ভারতীয় হিন্দি – বাংলা চলচ্চিত্রের দিকে ঝুকে পড়ছে দিনকে দিন।শুনতে খারাপ শোনালেও আমাদের দেশীয় চলচ্চিত্রের চাহিদা ক্রমে কমতে শুরু করেছে।এটাকে অনেকটা অশনিসংকেত। কিন্ত সে