ছবিঃ অনলাইন।(সংগৃহীত)
নিউজ ডেস্কঃ
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল তাবাসসুম হায়দার ৬ অক্টোবর এক সরকারি সফরে ঢাকায় আসছেন।(অনলাইন)। তিনি আগামী ৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় পাকিস্তানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।
কিন্ত বাংলাদেশের মুলধারার গণমাধ্যমে এখনও পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোন সংবাদ দেখা যায়নি বলে অনলাইন সূত্র বলছে।
প্রকাশ করা আবশ্যক,
ঢাকায় পাকিস্তানি ১১তম সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিফ মুনিরের ঘনিস্ট এই কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল তাবাসসুম হায়দার।
ড.ইউনূস সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর এটিই হতে যাচ্ছে কোনো পাকিস্তানি জেনারেলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সফর।
ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর বাংলাদেশের ভিতরে পাকিস্তান প্রভাবিত রাজনৈতিক এবং সামরিক যোগাযোগের এক নতুন অধ্যায় । বিশেষ করে ঢাকায় পাকিস্তানী সেনাবাহিনী এবং ISI এর উপস্থিতি ভারতের জন্য বড় ধরণের নিরাপত্তা জনিত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিজ্ঞজনদের প্রশ্ন জা্গা স্বাভাবিক যে,
এর পেছনে কি লুকিয়ে আছে দক্ষিণ এশিয়ার নতুন এক ভূরাজনৈতিক সমীকরণ?
আশংকা থেকেই যায়, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক ও পাকিস্তান—সবাই এখন বাংলাদেশকে ঘিরে কৌশল সাজাচ্ছে। এই সফর কি সেই “নতুন অক্ষশক্তি”-র প্রাথমিক সুচনা?
বাংলাদেশ কি তবে পরিণত হতে পারে আঞ্চলিক সামরিক খেলার মাঠে?
এই প্রক্রিয়ার সুবিধাভোগী হচ্ছে, বাংলাদেশের ভিতরে এক গোষ্ঠী । তারা অরাজনৈতিক,বেনিয়া, কতিপয় ব্যাবসায়ীরা! যারা কি না রাজনৈতিক নেতৃত্বকে প্রান্তে ঠেলে দিয়ে, রাষ্ট্র যন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বা নিচ্ছে।
উল্লেখ্য,আমরা ১/১১ তে দেখেছি যে, বিদেশীদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারি লোকেদেরকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছিল। বাংলাদেশে বর্তমানে সেই অবস্থাই চলছে।
এর আগে জানুয়ারি মাসে পাকিস্তান আইএসআই-এর মেজর জেনারেল শহীদ আমির আফসার ও মেজর জেনারেল আলম আমির আওয়ান বাংলাদেশ সফর করেন। এরপর জুন মাসে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তিনজন ব্রিগেডিয়ার কক্সবাজারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের সদর দপ্তর পরিদর্শন করেন। সম্প্রতি আরও তিনজন পাকিস্তানি মেজর জেনারেল ঢাকা সফর করলেও তাদের পরিচয় ও সফরের উদ্দেশ্য গোপন রাখা হয়।