নিউজ ডেস্কঃ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী শারদীয় দূর্গাৎসবে পূজামণ্ডপে অসুরের মুখে দাঁড়ি লাগিয়ে ধর্মীয় বিভেদ এবং সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেওয়ার পেছনে ‘ফ্যাসিস্ট বুদ্ধিজীবীদের ইন্ধন’ দেখছেন।
তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট ও সহযোগীরা কয়েকটি পূজা মণ্ডপে অসুরের মুখে দাঁড়িয়ে লাগিয়ে ধর্মীয় বিভেদ ও সাম্প্রদায়িক উস্কানি এবং সহিংসতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করেছে। এই ঘটনায় কিছু ফ্যাসিস্ট বুদ্ধিজীবীর ইন্ধন ছিল।”
‘সারাদেশে ৭৯৩টি মণ্ডপে’ অসুরের মুখে দাঁড়ি লাগানো হয়েছিল বলে তথ্য দেন উপদেষ্টা।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা কিছু চিহ্নিত করেছি। তদন্ত চলছে। এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।”
আজ রোববার সচিবালয়ে কোর কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ তথ্য দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
বৈঠকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, অস্ত্র লুট, রাকসু নির্বাচন, রোহিঙ্গা শারদীয় দুর্গোৎসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে একটি পূজামণ্ডপে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের মুখের আদলে অসুরের মুখ তৈরির খবরের প্রতি ইঙ্গিত করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “একটি পার্শ্ববর্তী দেশ দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরি করার সময় প্রধান উপদেষ্টাকে যেভাবে নিন্দনীয় উপস্থাপনের সংবাদ পাওয়া গেছে, তার সঙ্গে অসুরের মুখে দাড়ি বসিয়ে দেওয়ার কাজটি যোগসূত্রতা দেখা যাচ্ছে।”
খাগড়াছড়ির ঘটনা নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “ধর্ষণের অভিযোগ তুলে পার্বত্য চট্টগ্রামকে অশান্ত করা এবং শারদীয় দুর্গোৎসবে মণ্ডপে অসুরের মুখে দাড়ি লাগিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চক্রান্তের পেছনে ফ্যাসিস্টদের দোসরদের মদদ রয়েছে যা ইতিমধ্যে প্রতীয়মান হয়েছে।”
সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা, গোয়েন্দা সংস্থার কড়া নজরদারি এবং মণ্ডপ কমিটির সহযোগিতায় কুচক্রকারীদের চক্রান্ত নস্যাৎ করা সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।