জনাব ইউনুস ও আসিফের আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে দ্বিমুখী বক্তব্য, দাবায়ে রাখতে পারবা নাঃ আক্রান্ত বাংলাদেশ!

জনমত-পর্যালোচনা

ড.ইউনুস ও আসিফ নজরুলের ক্ষমতার শীর্ষ নেতৃত্বই লক্ষ।

যা (এই ইউনুস সরকার) ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে উভয়ের মধ্যে সেই প্রতিযোগিতা বিদ্যমান বলে চাউর রয়েছে। এমনকি শোনা যায় -৪/৫ আগস্টেের ‘২৪ এর পর থেকে আসিফ নজরুল ওই প্রধান উপদেষ্টার পদটি পাওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন {বিষয়টি ওপেন সিক্রেট হিসাবে বিবেচিত)।

 

বিভিন্ন মাধ্যমে এখনও শোনা যায় – আসিফ নজরুল কখনো চাননি ড.ইউনুস এই অন্তর্বর্তী সরকারে আসুক।

তবে প্রসঙ্গক্রমে বলতেই হয়, উক্ত তথ্যের নিশ্চিত সত্যতা আগেও ছিল না। এখনো তাই।কারণ, ডিপ স্টেট , বিদেশী লবিস্ট রেন্ট করা -সবই জনাব ইউনুস করেছিলেন।তবে তার সাথে পরক্ষভাবে কুশীলব হিসাবে জনাব আসিফ নজরুল ছিলেন কি না-বিষয়টি নিশ্চিত নয়। অবশ্য আসিফ নজরুল বিগত সময়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের শক্ত সমালোচক হিসাবে সর্বজনবিদিত।  

হয়তো তিনি এখনো সে লক্ষ অভিন্ন রেখেছেন।সে অনুযায়ী তার বক্তব্য – মতামত গণমাধ্যমে প্রতিফলিত হচ্ছে। 

আর যতশত ব্যাস্ততা -“আওয়ামী লীগকে দমিয়ে রাখার ধ্যান আর জ্ঞান।”

 

বংগবন্ধুর কথায় ফিরে যেতে হয় –

৫৪ বছর আগে ঐতিহাসিক ৭ ই মাচ’ “রেসকোর্স ময়দানে”(বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক জাদুকরি ভাষণে বাঙালি জাতিকে মুক্তির স্বপ্নে বিভোর করেছিলেন তিনি ।পাশাপাশি সেই সুবাদে বাংলাদেশ নামের নতুন একটা রাস্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে।

সেদিন লাখ লাখ মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু বজ্রকন্ঠে ঘোষণা দেন,

‘সাত কোটি মানুষকে আর দাবায়ে রাখতে পারবা না।”

আজকের আক্রান্ত বাংলাদেশে দাড়িয়ে মনেপ্রাণে তার কথায়ই স্মরণ করা প্রাসঙ্গিক।সে প্রেক্ষিতেই দেশের আপামর জনগন মনে করছেন- “দাবায়ে রাখতে পারবা না। “