নিউজ ডেস্কঃ
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন বরাবর পাঠানোর জন্যে চিঠিটি স্বাক্ষর করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
চিঠিতে রাষ্ট্রপতি তার অফিসিয়াল প্যাডে ২৮ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত জাতীয় ও জনগুরুত্বপুণ্য অনেক কথা লিখেছেন।
উক্ত চিঠিতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন প্রিয় সহকর্মী’ বলে সম্বোধন করে জানিয়েছেন । (সংগৃহীত)

রাস্ট্রপতি কিছু অংশ চিঠির একটি অংশে জানিয়েছেন, (হুবহু তুলে ধরা হল)ঃ
রাষ্ট্রপতির আসনে আসীন এবং দায়িত্ব পালনরত দেশের রাষ্ট্রপতি যেন অপদস্ত না হয় সেজন্য কি কৌশলী পদক্ষেপ নেওয়া যেত না? জী, বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের কূটনৈতিক অফিস থেকে আমার ছবি অপসারণের ঘটনার কথা উল্লেখ করছি।
আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছি। সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছি। স্বাধীনতার পর হতে অদ্যবধি যা হয় নাই তাই করছি। প্রায় অর্ধশতাধিক অর্ডিন্যান্স জারি করে সরকারকে আইনগত পূর্ণ সহযোগিতা করছি। সরকার আইনগতভাবে সবল অবস্থানে আছে। ৫ই আগস্ট হতে ৮ই আগস্ট ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত দেশের সংকটকালে আমার কার্যক্রমও প্রনিধানযোগ্য। পরবর্তী সময়ে সরকারের উত্থাপিত সকল কার্যক্রমে আমার অবস্থান স্বতঃস্ফূর্ত এবং ইতিবাচক। তবে কেন? ছবি অপসারণের ক্ষেত্রে এরূপ দৃষ্টিকটু উদ্যোগ নেওয়া হলো।
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিুন চিঠিতে আরও লিখেছেন,
জিরো পোর্ট্রেট নীতি সরকার অনুসরণ করছে, এতে আমার পূর্ণ সমর্থন আছে। আমি তো আবদার করি নাই যে আমার ছবিকে দায়মুক্তি দেয়া হোক। আমার ছবি অপসারণের ক্ষেত্রে এই নীতি কৌশলে বাস্তবায়ন করলে গণমাধ্যমের খোরাক হওয়া এড়ানো যেতো, এক্ষেত্রে মানসিকভাবে আমার পূর্ণ সহযোগিতা থাকতো। এক রাতের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলকভাবে আমার ছবিটি অপসারিত হয়ে শুধু গণমাধ্যমের উপজীব্য নয় বরং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী আমার সম্মান ভূলণ্ঠিত হলো। মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা একজন সচেতন নাগরিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হলো অপমানিত।