ফাইল ছবি।
সাক্ষ্য দেওয়ার পর থেকেই এক প্রকার সরকারের নজরবন্দী হয়ে আছেন আবু সাঈদের ৮৫ বছর বয়সী বাবা মকবুল হোসেন! আবু সাঈদ হ*ত্যাকাণ্ডের বিচার চলাকালে বাবার জবানবন্দি ও ময়নাতদন্ত রিপোর্টের মধ্যে দেখা যাচ্ছে চরম অসঙ্গতি। আদালতে বলা কথার সঙ্গে সরকারি বর্ণনা মেলেনি—ফলে ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর পর্যন্ত নেমেছেন মাঠে। প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদন সরানো, রিপোর্টারের ওপর চাপ, এবং মকবুল হোসেনকে রাতারাতি গ্রামে পাঠিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। জনশ্রুত রয়েছে, কেন বাবার বক্তব্য দমন করার চেষ্টা? কেন সরকারি মেডিকেল রিপোর্ট ও বাবার বর্ণনায় এত পার্থক্য? এই বিচার কি সত্যিই নিরপেক্ষ? নাকি আগেই লেখা আছে রায়?
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার সাক্ষীর জবানবন্দিতে সংক্রান্ত দেশের একটি মূলধারার সংবাদপত্রে বলা হয়েছে-
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবু সাঈদ হত্যা মামলার সাক্ষীর জবানবন্দিতে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামের আইনজীবী আমিনুল গণী টিটো ট্রাইব্যুনালের কাছে প্রশ্ন রাখেন, ‘আবু সাঈদের বাবার জবানবন্দি যেভাবে নেওয়া হয়েছে, এর চেয়ে লিডিং জবানবন্দি আমি পেশাগত জীবনে দেখিনি।’
পরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘যেভাবে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলে বলে দেওয়া হয়েছে, এভাবে কোনো জবানবন্দি হয় না। এই আইনজীবী মকবুল হোসেনকে জেরা করে বলেন, ‘আবু সাঈদ হত্যার পর আপনার ছেলে রমজান আলী ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা করেছেন।’