সেনাপ্রধানের ১৮ মাসের মধ্যে যাতে নির্বাচন হয়-অঙ্গীকার।।অন্যদিকে ‘জুলাই সনদ আর ঘোষণাপত্র

দেশের আমজনতার কথা আমাদের সকলের শোনা উচিত। কোন কৌশলী আবেগ’ কে ভর করে চাঁদাবাজি আর মব সন্ত্রাস’ চালিয়ে ক্ষমতাকে স্থায়ী করা যায় না। ২৪’এর ৮ আগস্টে ড.ইউনুসের সরকার (নির্বাহী নির্দেশে) কতদিনের জন্য ক্ষমতায় এসেছিলেন ? 

বিগত সময়ে ১৮ মাসের মধ্যে যাতে নির্বাচন হয়, সে জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থনের অঙ্গীকার সেনাপ্রধানের ।রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন।

 

বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ১৮ মাস অর্থাৎ ডিসেম্বর ২০২৪ সালের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের কথা বলেছিলেন ।

 

এখন শোনা যাচ্ছে-

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের মাধ্যমে চলতি বছরের আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারেন। সুত্রঃ গনমাধ্যম।

এর আগে প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ’ নাটক আমারা সাধারণ মানুষ দেখেছি। দেশের মানুষ যেন এখন গিনিপিগ হয়ে গ্যাছে। 

ফেব্রুয়ারি ‘২৬ জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবেন। দ্যাখা ছাড়া উপায় কই?

প্রকাশ করা আবশ্যক –

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আগামী ৩ আগস্ট’২৪ 

‘জুলাই সনদ আর ঘোষণাপত্র আদায়ের লক্ষ্যে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশের ডাক দিয়েছে। এখন পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফ থেকে ইতিবাচক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা।তবে রবিবার (২৭ জুলাই নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “মৌলিক সংস্কার না হলে এনসিপি জুলাই সনদে সই করবে না”

 

মোদ্দা কথা হল- এনসিপির জুলাই সনদে ইউনুস সরকার সাড়া দিতে হলে দেশের প্রেক্ষাপট ভিন্ন রকম হয়ে যাবে।

 তখন তাদের দাবী অনুযায়ী “গন পরিষদ নিরবাচন,৭২’ এর সংবিধান বাতিলকরণ ।নতুন সংবিধান তৈরি ।সে আঙ্গিকে ভাবলে -রাস্ট্রপতি ,সেনাপ্রধান সহ রাষ্ট্রের চলমান প্রধান অর্গান গুলো থাকবে না।তখন দেশে আসবে চরম অস্থিতিশীলতা ।সুতারাং ,জননিরাপত্তাহীনতার চরম পর্যায়ে বাংলাদেশ নিমজ্জিত হবে বলে দেশের বিজ্ঞজনেরা ইতিমধ্যে বহুবার বলেছেন।

আসলে বাংলাদেশ যে কোন পথে ধাবিত হচ্ছে -সেটা দেখার জন্য -আমাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে।