২০১৯ সালে স্থাপিত হয় দেশের প্রথম স্বয়ংসম্পূর্ণ বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতাল শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট।
যা দেশের পোড়া রোগীদের চিকিৎসায় আশার আলো দেখিয়েছে।
এই ইনস্টিটিউটে রয়েছে তিনটি উইং- বার্ন ইউনিট, প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট এবং একাডেমিক ইউনিট। এই তিনটি উইংয়ের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার পাশাপাশি নতুন বিশেষজ্ঞ তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এই ইনস্টিটিউট।
ইনিস্টিউটটি যেভাবে পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়ঃ
শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট স্থাপনের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ, যার শুরু ১৯৮৬ সালে দেশের প্রথম প্লাস্টিক সার্জন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর হাত ধরে। তিনি প্রথম ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বার্ন ইউনিট চালুর উদ্যোগ নেন। তখন এর শয্যার সংখ্যা ছিল মাত্র ছয়টি। পরে অধ্যাপক ডা. সামন্ত লালের প্রচেষ্টায় ২০০৩ সালে ঢামেক হাসপাতাল চত্বরে স্বতন্ত্র ৬ তলা ভবনে ৫০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ ইউনিটের কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে এর শয্যা সংখ্যা ১০০ তে উন্নীত করা হয়।
অবকাঠামো ও সেবার পরিধি
৫০০ শয্যা বিশিষ্ট শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ২২ শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), উন্নত চিকিৎসার জন্য ২২ শয্যার হাই ডেফিসিয়েন্সি ইউনিট (এইচডিইউ), ১২টি অপারেশন থিয়েটার এবং একটি অত্যাধুনিক পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ড রয়েছে। দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি জন্মগত ঠোঁটকাটা, তালুকাটাসহ বিভিন্ন রোগীদের প্লাস্টিক ও রিকন্সট্রাক্টিভ সার্জারিরও ব্যবস্থা আছে।