সাবেক সিইসি নূরুল হুদা ‘মব সন্ত্রাস’ এ হেনস্থার ঘটনায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া-সরকারের চরম ব্যর্থতার পরিচয়

নিউজ ডেস্কঃ

গতকাল রোববার দুপুরে ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় সাবেক সিইসি নূরুল হুদা সহ ১৯জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে বিএনপি। ওই দিন বিকালেই একদল ব্যক্তি তার বাসায় গিয়ে তাকে বের করে হেনস্থা করে। এ সময় দলবদ্ধ ব্যক্তিরা মি. হুদাকে গলায় জুতার মালা পড়িয়ে দেয় ও জুতা দিয়ে মুখে আঘাত করে-এমন ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

হেনস্থার ওই ঘটনার সময় সেখানে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিও ওই ভিডিওতে দেখা গেছে। হেনস্থার পর মি. হুদাকে হেনস্থাকারীদের সামনে থেকে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে রাতে তাকে বিএনপির করা মামলার আসামী হিসেবে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। -বিবিসি বাংলা।

 

আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে আজ সাবেক সিইসি নুরুল হুদা তার জবান বন্দিতে বলেছেন,

ভোট পরিচালনায় থাকে ৫ লাখ মানুষ। রিটার্নিং কর্মকর্তা ভোটার শিটে সই করে ফেললে আদালত ছাড়া কেউ ভোট বাতিল করতে পারে না।

প্রকাশ করা আবশ্যক, সাব সেক্টর কমান্ডার হিসেবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া ও পরে প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি করা মি. হুদা সিইসি হিসেবে তার দায়িত্ব পালন শেষে অবসর জীবন যাপন করছিলেন।

 

বিএনপি কিংবা দলটির নেতা কর্মীরা কেন এ ধরনের মব সন্ত্রাসে জড়ালো কেন সংক্রান্ত রিপোর্টে  বিএনপির একটি সহযোগী সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য বলেছেন,”এটি বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনা, আমরা এগুলো সমর্থন করি না। তবে দলের কেউ জড়িত থাকলে আমরা অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিবো,”

রাজনৈতিক বিশ্লেষক(বিবিসি বাংলাকে বলছেন, সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দেওয়ার পাশাপাশি কোনো কোনো ক্ষেত্রে মব সন্ত্রাসকে আস্কারা দিয়ে এ পর্যায়ে এনেছে।

এর দায় সরকারের ওপই বর্তায়।দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের মব সন্ত্রাস বা দলবদ্ধ সহিংসতা চলমান থাকার দায় সরকার এড়াতে পারে না।

“আইন আদালতকে পাশ কাটিয়ে এ অসভ্যতা চলতে পারে না,” ।