গুজব আর অপ:প্রচার সংস্কৃতি।।শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা

১৯৭১ সালের ১৩ মার্চ অসহযোগ আন্দোলনের সংগৃহীত ছবি।

সম্পাদকীয়।।

ইদানীং যে হারে গুজব আর অপ:প্রচার সংস্কৃতি চালু হয়েছে -যা ভাবনাহীন! মানুষের উপর আস্থা এ কারণেই হারিয়ে যাচ্ছে দিনদিন। এই তো কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন সফর শেষে গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যম সাংবাদিকদের কোটা সংক্রান্ত একটা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন।যা ছিলো সহজ ও সাবলীল।আর সেদিনের মাঝরাতেই ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের “রাজাকার” শব্দের স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হলো এককথায় গোটা দেশ। 

যে “রাজাকার” প্রতিধ্বনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি সুনাগরিকের চেতনায় আঘাত হেনেছে!  যার একটাই কারণ ঐ গুজব আর অপঃপ্রচার। 

আসলে সেই পুরনো কথা মনে পড়ে যায়- ” হুজুগে বাংগালী “।আমাদের কে অনেকে এভাবেই চেনে।ক্যামন যেন- “চিলে কান নিয়ে গেছে, শুনেই আমরা দৌড়াতে থাকি।”

 

এবার আসা যাক, আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে শতশত অভিযোগ প্রসঙ্গে –

বৈষম্য বিরোধী আন্দলোনের আজ (শনিবার) পালিত হচ্ছে – ” সারাদেশে গনমিছিল।আর আগামীকাল থেকে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক। তাদের দাবি সম্বলিত বিস্তারিত অভিমত – দেশের গণমাধ্যমে ইতিমধ্যে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়েছে। 

সেই বক্তব্যের সারাবাতা’ কি- “দেশ অচল কম’সূচী”।

তাহলে আমরা সর্বসাধারণ মানুষ কাজ না করলে- খাব কি? বিদ্যুৎ এর মিটার রিচাজ’ বা বিল না দিলে বাসাবাড়ির সব অচল হয়ে যাবে।তাহলে দেশের কোটি কোটি জনতার জীবন -জীবিকা যে থমকে যাবে?

ট্যাক্স দেওয়া যাবে না।সরকারি -বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের কম’স্থলে যাওয়া যাবে না।আইন – শৃঙ্খলা র রক্ষাকারী বাহিনীদের শিক্ষার্থীদের এই কমপ্লিট শাটডাউনের শামিল হওয়ার আহবান। 

স্পষ্ট জিজ্ঞাসা – উক্ত কম’সূচীতে কি দেশের আপামর জনগণ শামিল হচ্ছেন?