ফাইল ছবি।
প্রতিবেদকঃ
ডাঃ সহিদ হোসেন নূর আফজাল যাহার এনভাইডি নম্বর: 8172307412) এমএস ও ডি অর্থ ডিগ্রি অর্জন না করে ভুয়া প্যাড ব্যাবহার ও বিভিন্ন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মুহাঃ তহিদুর রহমান, উপসহকারী পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন ,সজেকা ,খুলনা গত গত ১৭ অক্টোবর মামলা দায়ের করেছেন।যাহার মামলা নম্বর আট।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ডাঃ সহিদ হোসেন নূর আফজাল [সাবেক তত্ত্বাবধায়ক (ভারপ্রাপ্ত) ,বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল ,খুলনা] বর্তমানে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজশাহীতে কর্মরত রয়েছেন।তাহার পিতা: মোহাম্মদ আলী, মাতা: রুহ-ই-আফা, স্থাটি ঠিক না শাহ মসজিদ মহল্লা, ১৭ সালের নগর রোড, ডাকঘর: কন্দর থানা: বন্দর, জেলা: নারায়নগঞ্জ বর্তমান ঠিকানা।
ডাঃ সহিদ হোসেন নূর আফজাল এর বিরুদ্ধে ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করে কর্তৃপক্ষ ও লেনাদের সাথে প্রতারণা এবং প্রেসক্রিপশন প্যাডে ভুয় এমএস ও ডি অর্থ ডিগ্রি ক্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ভুল অপারেশন করে বিভিন্ন রোগীকে বিকলাঙ্গ করার বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা বরাবর অভিযোগ দরখাস্ত দাখিল করেন। তৎপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট বিষয় যাচাই পূর্বক প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য দুর্নীতি সমন কমিশন, প্রধান কার্য্য, ঢাকা হতে বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলকে অনুরোধ করা হয়। পরবর্তীতে বংলাদেশ মেডিকেল এ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল থেকে পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা বরাবরে এই মর্মে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয় যে, ডা: সহিদ হোসেন মোঃ নূর আফজাল বংলাদেশ মেডিকেল এ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের একজন রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত চিকিৎসক (বিএমএন্ডডি রেজিস্ট্রেশন নম্বর: A-29473)। তিনি এমএস ডিগ্রি ও ডি-অর্থ ডিগ্রি অর্জন না করে প্রেসলিশন দায়ে উক্ত ডিগ্রি ব্যবহার করে জনসাধারণের সাথে প্রতারণা করেছেন, যা বাংলাদেশ মেডিকেল এড ডেটা কাউন্সিল আইন, ২০১০ এর ২৯ নং ধারা অনুযায়ী শান্তি
যোগ্য অপরাধ।
উল্লেখ্য, উক্ত মামলায় তদন্তকালে বর্ণিত অপরাধের সাথে অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকেও আইনামলে আনা হবে।