ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশের ইতিহাসকে হত্যা করতে চেয়েছিলঃ কেসিসি মেয়র 

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশের ইতিহাসকে হত্যা করতে চেয়েছিল। দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। ঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে খুনিরা দেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। খুনি জিয়া গংরা দেশকে পাকিস্তানি ভাবধারার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। স্বাধীনতা বিরোধীদের এবং বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করেছিল। স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার আলবদরদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রী করেছিল। খুনি জিয়া এদেশের গণতন্ত্রকে ভূলুন্ঠিত করেছিল। প্রহসনের বিচারে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসার ও সৈনিকদের ফাঁসি দিয়েছিল। দেশে তখন কোন ন্যায় বিচার ছিল না। সেই বিএনপি-জামায়াত এখন গণতন্ত্রের কথা বলে। তিনি আরো বলেন, জিয়া বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল। খুনি জিয়ার ছেলে তারেক ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার মধ্য দিয়ে আরেকটি ১৫ আগস্ট করতে চেয়েছিল। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে তাদের সে ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। তবে ষড়যন্ত্র এখনও থেমে নেই। তাই স্বাধীনতা বিরোধী পাকিস্তানের প্রেতাত্মাদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সবই ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আজ সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় দলীয় কার্যালয় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সদর থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত শোক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু ও জামাল উদ্দিন বাচ্চু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফারুক হাসান হিটলু, মহানগর যুবলীগের সভাপতি মো. সফিকুর রহমান পলাশ, সদর থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরিনা রহমান বিউটি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল। সদর থানা আওয়মী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. রজব আলী সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যা. আলমগীর কবির, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস আলম চাঁন ফারাজী, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, মাহবুবুল আলম বাবলু মোল্লা,
এ্যাড. তারিক মাহমুদ তারা, এ্যাড. ফারুক হোসেন, আব্দুল হাই পলাশ, বাবুল সরদার বাদল, ফেরদৌস হোসেন লাবু, মঈনুল ইসলাম নাসিম, চৌধুরী মিনহাজ উজ জামান সজল, জামিরুল হুদা জহর, এ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান, নজরুল ইসলাম তালুকদার, মো. শিহাব উদ্দিন, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, মো. আযম খান, শেখ এশারুল হক, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মো. ফয়েজুল ইসলাম টিটো, অহিদুল ইসলাম পলাশ, মুন্সি মো. সেলিম হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব মিয়া, এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি, অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুল, নাসরিন আক্তার, কাউন্সিলর এস এম রফিউদ্দিন আহমেদ, কাউন্সিলর কনিকা সাহা, কাউন্সিলর জেসমিন পারভীন জলি, কাউন্সিলর জিয়াউল আহসান টিটু, পারভিন ইলিয়াছ, শেখ আবেদ আলী, এ্যাড. এনামুল হক, নুর জাহান রুমি এ্যাড. কে এম ইকবাল হোসেন, এ্যাড. সাজ্জাদ আলী, এ্যাড. জহিুরুল ইসলাম পলাশ, এ্যাড. আশরাফ আলী পাপ্পু, হাবিবুর রহমান দুলাল, মল্লিক নওশের আলী, শবনম সাবা, বলাকা রায়, ফেরদৌস আলম রিতা, রোকেয়া রহমান, হাসিনা বেগম, রেখা খানম, আওয়াল হোসেন ছোটন, খান মো. কবির, শরিফুল ইসলাম মুন্না, এ্যাড. মেহেদী হাসান, এ্যাড. নুরুন নাহার লাকী, এ্যাড. শাম্মী আক্তার, এ্যাড. রুমানা তানহা, এ্যাড. খোরশেদ আলম, এ্যাড. আব্দুল কুদ্দুস, ফায়েজুল ইসলাম রুমেল, ফরিদা চৌধুরি, ছাত্রনেতা জহির আব্বাস, বায়েজীদ সীনা, ইয়াসির আরাফাত, ইবনুল হাসান, ওমর কামাল সহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।খবরঃ বিজ্ঞপ্তির