জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রস্তুতিসভা খুলনায় অনুষ্ঠিত-২০২৪

জাতীয় শোক দিবস-২০২৪ ও

 হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি

ও স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৯তম শাহাদত বার্ষিকী পালনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিসভা আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীনের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

 

জাতীয় শোক দিবস পালনের

সভায় জানানো হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৯তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১৫ আগস্ট সকাল আটটায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে অবস্থিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হবে। জাতীয় শোক দিবসে সকাল ১০টায় খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে দিবসের আলোচনা সভা ও দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। ঐদিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধাসরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত ভবনে জাতীয় পতাকা যথানিয়মে অর্ধনমিত রাখা হবে। বাদযোহর সকল মসজিদে দোয়া এবং সুবিধাজনক সময়ে মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে আলোচনা সভা, রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। জেলা তথ্য অফিস নগরীর শহিদ হাদিস পার্কে দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করবে।জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্র আগস্ট মাসব্যাপী বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উদ্যোগে ১৫ আগস্ট জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।

 

জাতীয় শোক দিবস  পালনের প্রস্তুতি সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুকুল কুমার মৈত্র, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নাজমুল হুসেইন খাঁন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) এস এম আল-বেরুনী, কেএমপি’র সহকারী পুলিশ কমিশনার গোপীনাথ কানজিলালসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

জাতীয় শোক দিবসের

এর আগে একইস্থানে আগামী ৫ আগস্ট বাংলাদেশের আধুনিক ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম পথিকৃৎ বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ

 

কামালের ৭৫তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। খবরঃ বিজ্ঞপ্তির

 

।। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ।।

 

শেখ মুজিবুর রহমান (১৭ মার্চ ১৯২০ – ১৫ আগস্ট ১৯৭৫), সংক্ষিপ্তাকারে শেখ মুজিব বা বঙ্গবন্ধু, ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ভারত বিভাজন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীকালে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কেন্দ্রীয়ভাবে নেতৃত্ব প্রদান করেন। শুরুতে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি, এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পরবর্তীকালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন অর্জনের প্রয়াস এবং পরবর্তীকালে ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পেছনের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমানকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হিসেবে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বাংলাদেশের “জাতির জনক” বা “জাতির পিতা” হিসেবে অভিহিত করা হয়।[৬] এছাড়াও তাকে প্রাচীন বাঙালি সভ্যতার আধুনিক স্থপতি ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[৭] জনসাধারণের কাছে তিনি “শেখ মুজিব” বা “শেখ সাহেব” নামে এবং তার উপাধি “বঙ্গবন্ধু” হিসেবেই অধিক পরিচিত। তার কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী । তথ্যঃ উইকিপিডিয়া ।