রোটারী ক্লাব মানবতার সেবায় বিশ্বব্যাপি কাজ করে থাকেঃ কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু

শিশুদের সুস্থ ও সুন্দর জীবন উপহার দেয়া অনেক বড় একটি কাজ। বিশেষ করে সমাজের নিম্নআয়ের পরিবারের শিশুদের জীবন নিরাপদ ও রোগ মুক্ত রাখার প্রচেষ্টা মানবতার অনেক বড় একটি উদাহরণ। এই মহতী কাজের জন্য রোটারী কাব জনমানুষের মনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ শনিবার সকালে নগরীর জাতিসংঘ শিশু পার্কে আয়োজিত র‌্যালির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। বিশ্ব পোলিও দিবস পালন উপলক্ষ্যে রোটারী কাবের রিপসা টীম-খুলনা জোন এ বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করে। পোলিও নির্মূলের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ল্েয প্রতিবছর ২৪ অক্টোবর সংস্থাটি এ কর্মসূচির অয়োজন করে থাকে।

পোলিও নির্মূলের জন্য রোটারী কাবের অবদান তুলে ধরে প্রশাসক বলেন, রোটারী কাব মানবতার সেবায় বিশ্বব্যাপি কাজ করে থাকে। তাদের কর্মতৎপরতায় দেশ থেকে পোলিও রোগ নির্মূল হয়েছে। কিন্তু পোলিওর প্রাদুর্ভার পুনরায় না আসে সে জন্য কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি কাবের মানবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ডেঙ্গু সংক্রমণ হ্রাসসহ সরকার প্রদত্ত টিকা গ্রহণের বিষয়ে সর্বস্তরের জনগণকে সচেতন করার জন্য রোটারিয়ানদের প্রতি আহ্বান জানান।

রোটারিয়ান পাস্ট প্রেসিডেন্ট ও ডেপুটি কোঅর্ডিনেটর নাদিরা সুলতানা-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত র‌্যালি পূর্ব সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন রোটারি অ্যাসিস্ট্যান্ট কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর পাস্ট প্রেসিডেন্ট ডাক্তার সৈয়দ আবু সাঈদ, শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন কো-অর্ডিনেটর মোল্লা মারুফ রশীদ, ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর আশিষ দে ও জিএম নাসিরুল্লাহ এবং এ্যাসিসট্যান্ট কো-অর্ডিনেটর ফেরদৌসুর রহমান পিয়াস।

বক্তারা পোলিও সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে বলেন, রোটারী ইন্টারন্যাশনাল ১৯৭৯ সালে ফিলিপাইনে ৬০ লাখ শিশুকে পোলিও টিকা প্রদানের মাধ্যমে মানবিক কার্যক্রম শুরু করে। ১৯৮৫ সালে সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী পোলিও নির্মূলের ল্েয পোলিওপ্লাস কর্মসূচি চালু করে। ১৯৮৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ অংশীদারদের সঙ্গে গ্লোবাল পোলিও ইরাডিকেশন ইনিশিয়েটিভ (জিপিইআই) প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পোলিও নির্মূলে এ পর্যন্ত ২.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অনুদান দেয়া হয়েছে এবং ১২২টি দেশে ৩০০ কোটির বেশি শিশুকে পোলিও থেকে সুরায় অবদান রেখেছে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল।

প্রশাসক বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে র‌্যালির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। র‌্যালিটি জাতিসংঘ শিশু পার্ক থেকে শুরু হয়ে নগরীর খান জাহান আলী রোড ও কেডিএ এভিনিউ প্রদণি করে আবারও জাতিসংঘ শিশু পার্কে এসে শেষ হয়। খবরঃ বিজ্ঞপ্তির